ভারতের কাছে থাইল্যান্ডের হারে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

1

দুপুরে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচ শেষ হয়ে গেলেও বিকাল সোয়া ৩টা পর্যন্ত সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামেই চোখ রাখতে হয়েছে নিগার সুলতানাদের। কেননা, স্বাগতিকদের সেমিফাইনাল যাওয়া নির্ভর করছিল ভারত-থাইল্যান্ড ম্যাচের ফলের ওপরও। থাইল্যান্ডকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে স্বাগতিদের সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা আরও সহজ করে দিলো স্মৃতি মান্ধানার দল। এখন শুধু মঙ্গলবার সহযোগী সদস্য আরব আমিরাতকে হারাতে পারলেই চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অল্প ব্যবধানে হেরে অধিনায়ক নিগার সুলতানা রীতিমতো কেঁদেছেন। পেসার জাহানারা আলম বহু কষ্টে কান্না থামিয়েছেন। লঙ্কানদের বিপক্ষে চার রানের হারে সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা জেগেছিল! দুপুর গড়িয়ে বিকাল হতেই হাফ ছেড়ে বাঁচা গেলো। সেমির সম্ভাবনা যে এখন পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি থাইল্যান্ড। ভারতীয় বোলারদের তোপে ১৫.১ ওভারে ৩৭ রানেই অলআউট হয়েছে। পাকিস্তানকে হারানো থাই দলের স্কোরবোর্ড এদিন যেন ছিল মোবাইলের কি প্যাডের ডিজিট। দলের ওপেনার নান্নাপাট কনচরোয়েঙ্কাই সর্বোচ্চ ১২ রানের ইনিংস খেলেছেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে স্নেহা রানা ৯ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। এ ছাড়া দীপ্তি শর্মা ও রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ৩৮ রানের মামুলি লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভারত ৮৪ বল আগেই ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। শেফালি ভার্মা ৮ রানে আউট হলেও সাবিনেন মেঘনা ১৮ বলে ২০ রান ও পূজা বস্ত্রকার ১২ বলে ১২ রানে অপরাজিত থেকেছেন।