বেলারুশে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধবিমান মোতায়েন

2

বন্ধু দেশ বেলারুশে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে রাশিয়া। দেশটির একটি ঘাঁটিতে প্রথমবারের মতো বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য হাইপারসনিক ‘কিনঝাল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। কিনঝাল ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার অস্ত্রাগারের সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র। ১০ ম্যাক (শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি) পর্যন্ত গতিতে আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্রটি। এটি ৫০০ কেজি বিস্ফোরক পেলোড বা কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে। দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করেছে।

ছবিটি গত ১৮ অক্টোবর তোলা। যেখানে দুটি রুশ যুদ্ধবিমান দেখা যায়, যার সঙ্গে একটি সুরক্ষিত কনটেইনার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ করা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ছবিটি বেলারুশের রাজধানী মিনস্কের ঠিক বাইরে মাচুলিশ্চি এয়ারফিল্ডে কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী একটি মিগ-৩১ কে জেট বিমানের। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়া মাঝে মাঝে এ অস্ত্রগুলো চালু করেছে, তবে মজুত সম্ভবত খুব সীমিত। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, মিগ-৩১ কে বিশেষভাবে ক্ষেপণাস্ত্র বহন করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যার রেঞ্জ এক হাজার ২০০ মাইলেরও বেশি।

এটি সম্ভবত পশ্চিমাদের একটি বিশেষ বার্তা দেয়ার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেলারুশকে যুদ্ধে ক্রমবর্ধমানভাবে জড়িত হিসেবে চিত্রিত করার জন্য এটা করা হতে পারে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বেলারুশের মাটি ব্যবহার করেই ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর আগে মিনস্ক রুশ সেনাদের নিজেদের অঞ্চলে অবস্থান করার অনুমতি দেয়। তবে তারা সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেয়নি। গত মাসে মিনস্ক ও মস্কো বেলারুশীয় সীমান্ত রক্ষার জন্য একটি যৌথ বাহিনী ঘোষণা করেছে।