‘বাংলাদেশের একমাত্র প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী’

5

‘বাংলাদেশের একমাত্র প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী’- চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এমনই মন্তব্য করে বসলেন আরেক অভিনেত্রী আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী সম্পর্কে। যদিও চলচ্চিত্রপাড়ায় মৌসুমীর নামের সঙ্গে ‘প্রিয়দর্শিনী’ বিশেষণ বহু আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবুও পূর্ণিমার নতুন এই যোগ, অন্য মাত্রা যুক্ত করল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘প্রিয়দর্শিনী’ শব্দটা বেশি ব্যবহার করেন স্বামী ও অভিনেতা ওমর সানী। তবে পুর্ণিমা, মৌসুমীকে একমাত্র প্রিয়দর্শিনী হিসেবে সম্বোধন করায় বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পুর্ণিমার মতে দেশে মৌসুমী ছাড়া আর কোনো প্রিয়দর্শিনী নেই।

চলচ্চিত্র ভক্ত ও নেটিজেনরাও পূর্ণিমার মতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছেন না। তবে কেউ কেউ পূর্ণিমাকেও সেই তালিকায় রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ছিলো অভিনেত্রী মৌসুমীর জন্মদিন। এই দিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে পূর্ণিমা নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। সঙ্গে লিখেছেন, ‘জন্মদিন এর অনেক অনেক শুভেচ্ছা মৌসুমি আপু। শুভ জন্মদিন আমাদের সবার প্রিয় মানুষ প্রিয় মুখ। বাংলাদেশ এর একমাত্র প্রিয়দর্শিনী।’ মৌসুমী ১৯৭৩ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মৌসুমীর বাবার নাম নাজমুজ্জামান মনি এবং মায়ের নাম শামীমা আখতার জামান।

ছোটবেলা থেকেই একজন অভিনেত্রী এবং গায়িকা হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটো বিউটি কনটেস্ট’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন, যার উপর ভিত্তি করে তিনি ১৯৯০ সালে টেলিভিশনের বাণিজ্যিকধারার বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হন। সালমান শাহ’র সঙ্গে কেয়ামুত থেকে কেয়ামত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন মৌসুমী। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে অন্তরে অন্তরে ছবির অভিনয় থেকে ফেরার পরই ওমর সানীর সঙ্গে খুনসুটি ও পরে ধীরে ধীরে সম্পর্ক প্রণয়ের দিকে গড়াতে থাকে। ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট চিত্রনায়ক ওমর সানীর সঙ্গেই পরিণয়ে আবদ্ধ হন। তাদের রয়েছে এক ছেলে ফারদিন ও এক মেয়ে ফাইজাহ।