বঙ্গবন্ধু মানুষ ও দেশকে ভালোবেসেছেন : শোক দিবস উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা জেলা প্রশাসনের

12

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আলোচকগণ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। আলোচকগণ বলেছেন, সকল ক্ষেত্রেই বঙ্গবন্ধুর সমান বিচরণ ছিল। তিনি মানুষকে ভালোবেসেছেন, দেশকে ভালোবেসেছেন। বঙ্গবন্ধু শোষিতের পক্ষে কথা বলেছেন। কথা বলেছেন দেশের আপামর মানুষের পক্ষে। তিনি লড়াই করেছেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে লড়াই সংগ্রাম করেছেন, কারাবরণ করেছেন। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন বারবার।
বক্তারা বলেন- বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না। বঙ্গবুন্ধু মানেই স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। দেশের এমন মহান নেতাকে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যা করে তাঁর গোটা পরিবারকে। ঘাতকরা চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে স্বাধীনতার চেতনাকে নস্যাৎ করতে; কিন্তু তা তারা পারেনি। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা দেশে ফিরে শক্ত হাতে দেশের হাল ধরে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করেছেন।
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর স্মারক বক্তৃতামালা এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত গ্রন্থসমূহের পাঠ পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় আলোচকগণ এসব কথা বলেছেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন যথাক্রমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল ও ৩৩৮, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহিলা সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম জেসি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব।
মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ড. সারোয়ার আলী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর আব্দুস সালাম, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শংকর কুমার কু-ু। স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকিউল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন জেলা কালচারাল অফিসার ফারুকুর রহমান।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, মনিম উদ দৌলা চৌধুরীসহ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও বিশিষ্টজনরা আলোচনা অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।