চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ১৩ ইউপির ভোটগ্রহণ ২৮ নভেম্বর

40

আগামী ২৮ নভেম্বর রবিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদ প্রার্থীদের সকল প্রচারণা আজ শুক্রবার রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে। এদিকে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন অফিস।
এবার কানসাট ছাড়া ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ভোটার সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে দুর্লভপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।
অপর দিকে নয়ালাভাঙ্গা ও মনকষা ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তাকুল ইসলাম পিন্টু ও মনাকষায় মির্জা শাহাদাৎ হোসেন খুররম। ফলে চেয়ারম্যান পদে ১১টি ইউনিয়নে ভোট হবে। ওইসব ইউনিয়নে কারা নির্বাচিত হবেন চেয়ারম্যান, আর কারাইবা হবেন সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য তা দেখার জন্য আগামীকাল রবিবার পর্যন্ত উপজেলাবাসীকে অপেক্ষা করতে হবে।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭ জন। তাদের মধ্যে উজিরপুর ইউনিয়নে একজন নারী প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার তাসিনুর রহমান জানিয়েছেন, ১১টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ধাইনগর ইউনিয়নে দলীয় প্রতীকে লড়াই করছেন দুজন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের আ ক ম তাবারিয়া চৌধুরী নৌকা এবং জাতীয় পার্টির মোহা. জুয়েল আলী লাঙল। অন্য তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন- একে আসগার মোটরসাইকেল, আবদুল লতিফ চশমা ও সাদিকুল ইসলাম আনারস।
চককীর্তি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. আনোয়ার হাসান নৌকা এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএফের মোহা. আবদুল হালিম সিংহ প্রতীকে ভোট করছেন। স্বতন্ত্র হিসেবে মু. হামিদুজ্জামান অটোরিকশা, মোহা. সাদেকুল ইসলাম আনারস ও মো. সারোয়ার-য়ে-আলম চশমা।
শাহবাজপুর ইউনিয়নে মোহাম্মদ নিজামুল হক নৌকা, মোহা. তোজাম্মেল হক আনারস, মো. ফারুক হোসেন চশমা ও মো. শফিকুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন।
শ্যামপুর ইউনিয়নে লড়াই করছেন নৌকা প্রতীকে মোহা. আসাদুজ্জামান, চশমা প্রতীকে নবাব মোহা. শামসুল হোদা, আনারস প্রতীকে মো. জুবায়ের আলম, মোটরসাইকেল প্রতীকে মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও ঘোড়া প্রতীকে মো. আবুল কালাম।
বিনোদপুর ইউনিয়নে লড়াইয়ে নেমেছেন ৭ জন। এরা হলেন- মোহা. খাইরুল ইসলাম নৌকা, মো. আজিজুল হক ঘোড়া, মোহা. আবু সাঈদ আনারস, মোহা. আবু সাঈম চশমা, মোহা. আহসান হাবিব টেলিফোন, মোহা. বদিউজ্জামান অটোরিকশা ও মোহা. রুহুল আমিন মোটরসাইকেল।
মোবারকপুর ইউনিয়নে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন ৩ জন। তাদের মধ্যে দলীয় প্রতীকে ভোট করছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মো. কামাল উদ্দিন ও মশাল নিয়ে জাসদের মো. ময়জুল ইসলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন মো. মাহমুদুল হক হায়দারী।
দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নে ৪ জন নেমেছেন ভোটের লড়াইয়ে। এরা হলেন- মোহা. আলমগীর নৌকা, মোহা. আশরাফুল আলম আনারস, মোহা. ইসমাইল হোসেন চশমা ও মোহা. আতিকুল ইসলাম অটোরিকশা।
উজিরপুর ইউনিয়নে মো. দুরুল হোদা নৌকা, মো. শরিফ উদ্দিন মোটরসাইকেল, মোসা. জাইদা নাহার টেলিফোন ও মোহা. ফয়েজ উদ্দিন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
পাঁকা ইউনিয়নে মো. আতাউর রহমান নৌকা, মোহা. আবদুল মালেক চশমা, মোহা. ইসমাইল হোসেন আনারস ও মো. জালাল উদ্দিন মোটরসাইকেল প্রতীকে লড়াইয়ে নেমেছেন।
ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নে লড়াইয়ে নেমেছেন ৪ জন। এরা হলেনÑ মো. গোলাম রব্বানী নৌকা, মো. গোলাম মোস্তফা মোটরসাইকেল, মো. তফিকুল ইসলাম আনারস ও মাহবুব আলম ঘোড়া।
ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নে মো. মামুন-অর রশিদ নৌকা এবং মোহা. আখতার বারী আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মোহা. আখতার বারী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলেও নৌকার প্রার্থীকে সমর্থনে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।