পুষ্টি বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির কর্মশালা

8

গর্ভবতী মাকে পুষ্টিগণসম্পন্ন খাবার খাওয়াতে হবে। তা না হলে বাচ্চা খর্বাকায় হতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়েদের অবশ্যই যথাযথ পুষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে। নিয়ম মেনে শাক-সবজি, ফল খেতে হবে। জন্মের পর শিশুকে ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে এবং দুই বছর পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারও খাওয়াতে হবে। কারণ, এই সময়ে শিশুরা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সুষম খাবার খেলে রোগবালাই ছাড়াই বেড়ে উঠতে পারবে।
মঙ্গলবার সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিস আয়োজিত চাঁপাইনবাবঞ্জ জেলা পুষ্টিবিষয়ক সমন্বয় কমিটির কর্মশালায় আলোচকগণ এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, পরিসংখ্যান অনুযায়ী লেখাপড়া কম জানা মায়েরা বেশিরভাগ খর্বাকায় বাচ্চা জন্ম দেয়। এটা আমাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে অন্তরায়। তাই আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশে যেতে হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে বাল্যবিয়ে রোধ করতে হবে। সবার জন্য পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার রওশনা জাহানের সভাপতিত্বে এবং পুষ্টিবিষয়ক জেলা কমিটির সদস্য সচিব ও সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউট্রিশন কাউন্সিলের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপপরিচালক ডা. আকতার ইমাম, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাহিদা আখতার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাছান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক রাজিবুর রহমান, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মাতিন।
‘সাপোর্টিং মাল্টি-সেক্টরাল কোলাবোরেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন ফর নিউট্রিশন’ শীর্ষক কর্মশালায় ভিডিও স্লাইডের মাধ্যমে পুষ্টিবিষয়ক মূল কার্যক্রম উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিস’র ডেপুটি প্রোগাম ম্যানেজার ডা. মাহফুজা হক। কর্মশালায় পুষ্টি বিষয়ক জেলা কমিটির সদস্যগণ (জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা) অংশগ্রহণ করেন।