পুলিশের অভ্যন্তরীণ তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ভিপিএন

22

বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে অভ্যন্তরীণ তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের ১০০০টি কার্যালয়ে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) কানেক্টিভিটি সংযোগ দেয়া হয়েছে। বুধবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামানা খান কামালের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কানেক্টিভিটি হস্তান্তর করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই কানেক্টিভিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই প্রযুক্তির ফলে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়বে। এই কানেক্টিভিটি বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের স্পর্শকাতর তথ্য আদান-প্রদানসহ অভ্যন্তরীণ তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। পুলিশের অভ্যন্তরীণ কাজকে ত্বরান্বিত করবে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বর্তমানে যে কোনো অপরাধ রোধ করতে সক্ষম, কারণ তারা প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার জানে। এই প্রযুক্তি মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার। এর ফলে পুলিশ আরো অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে।
ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনার অন্যতম কার্যক্রম এটি। এই কার্যক্রমের পাশাপাশি আমরা অনলাইনে জিডি করার পাইলট প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছি। এরই মধ্যে আমরা সংশ্লিষ্টদের এই পাইলটের ডেমো দেখিয়েছি। আশা করছি দ্রুততম সময়ে আমরা সারাদেশের থানাগুলোতে এই অনলাইন জিডির প্রযুক্তিটি পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারব।
এ সময় জাতীয় জরুরি সহায়তা নম্বর ‘৯৯৯’-এর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এরই মধ্যে ৯৯৯-এর সেবা নিচ্ছে। এই সেবা চালুর সময়কাল প্রায় ৩ বছরের কম, তবে এ পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ৫২ লাখ ফোন এসেছে এখানে। এই সেবার মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার ২৪ ঘণ্টা বাংলাদেশের মানুষকে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, জরুরি কলের পাশাপাশি ৯৯৯-এ কিছু অপ্রয়োজনীয় কলও আসে। এতে পুলিশ তথা কল সেন্টার এজেন্টদের সময় নষ্ট হয়। এ ধরনের কাজ যাতে না হয় সেজন্য আমরা জনগণকে সচেতন করব। পাশাপাশি আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো পদক্ষেপও নিতে পারি। সেসব দেশগুলোতে যারা জরুরি সেবা নম্বরে অপ্রয়োজনে ফোন দেয় তাদের চিহ্নিত করে জরিমানা করা হয়। আমরাও ভবিষ্যতে এমন ব্যবস্থা নিতে পারি, যাতে কেউ ভুল তথ্য না দেয়।