পুরো টুইটারই কিনতে চান মাস্ক

7

কয়েকদিন আগেই প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের ৯ দশমিক ২ শতাংশ মালিকানা কিনে নিয়েছিলেন মার্কিন ধনকুবের এলন মাস্ক। এবার মাস্ক জানালেন, পুরো টুইটারই কিনে ফেলতে চান তিনি; দিয়েছেন বিপুল অঙ্কের প্রস্তাবও।টুইটারের সঙ্গে মাস্কের সম্পর্ক বরাবরই অম্ল-মধুর। কিন্তু হঠাৎই সবাইকে চমকে দিয়ে গত সপ্তাহে টুইটারের একটি বড় অংশের মালিকানা কিনে নেন মাস্ক। সবচেয়ে বড় শেয়ার হোল্ডার হওয়ার পরই টুইট করে উস্কে দিয়েছিলেন টুইটারের নাম বদলের জল্পনা। শেষমেশ টুইটারের সিইও পরাগ আগারওয়ালকে লিখিত বিবৃতি জারি করে সামাল দিতে হয় পরিস্থিতি। মাস্কও জানান, টুইটারের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সে থাকবেন না তিনি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন ঘোষণা মাস্কের। এলন মাস্ক জানান, টুইটার কিনতে শেয়ার পিছু ৫৪ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার দিতেও প্রস্তুত তিনি। এ হিসেবে পুরো সংস্থাটির মোট বাজারদর দাঁড়ায় ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার।

মাস্ক জানান, তার প্রস্তাব গৃহীত না হলে তিনি নিজের অংশীদারিত্ব আর রাখবেন কি না তা-ও পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হবেন। মাস্কের দাবি তিনি টুইটারের অংশীদার হওয়ার সময়ে ভেবেছিলেন টুইটার পুরো বিশ্ব জুড়েই বাক স্বাধীনতার মূল মাধ্যম হয়ে উঠবে। কিন্তু বিনিয়োগ করার পরই নাকি তিনি উপলব্ধি করছেন যে, বর্তমান অবস্থায় তা কখনই সম্ভব নয় টুইটারের পক্ষে। তাই ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সংস্থা হিসেবে এর বদল ঘটানোই তার লক্ষ্য। কয়েকদিন আগেই মাস্কের বোর্ডে না বসার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন টুইটার সিইও পরাগ আগারওয়াল। পরাগ লেখেন, মাস্কের এই সিদ্ধান্ত ‘ভালর জন্যই’ নেয়া।

পাশাপাশি টুইটারের কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন যে আগামী দিনে ‘মনোসংযোগ নষ্ট’ হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তার পরই মাস্কের এই কা- উস্কে দিচ্ছে নানা রকম জল্পনা। টুইটারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা টেসলা কর্ণধারের থেকে ‘অযাচিত’ ও ‘নন-বাইন্ডিং’ প্রস্তাব পেয়েছেন। টুইটারের বোর্ড অব ডিরেক্টর্স এ প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে এবং সংস্থা ও অন্যান্য অংশীদারের লাভের কথা চিন্তা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবে বলেও জানায় টুইটার। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন।