দৈনিক গৌড় বাংলা

শনিবার, ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

পিএসজির শিরোপা উৎসব এমবাপ্পেকে ঘিরেই

পিএসজির জার্সিতে ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের অধ্যায় শেষের দিকে। দুটি ম্যাচ বাকি থাকলেও ঘরের মাটি পার্ক দেস প্রিন্সেসে ক্লাবটির জার্সি গায়ে আর নামা হবে না ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই তারকার। হোম গ্রাউন্ডে শেষটা জয় দিয়ে রাঙাতে পারলেন না এমবাপ্পে। গত পরশু রাতে লিগ ওয়ানের ম্যাচে তুলুজের বিপক্ষে ১টি গোল করলেও হার দেখতে হয়েছে ফুটবলের এই তারকাকে। এমবাপ্পের এক গোলের বিপরীতে প্রতিপক্ষ দিয়েছে ৩ গোল। ঘরের মাঠে বিদায়ি ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন এমবাপ্পের মা ফায়জা লামারি, ভাই ইথান এমবাপ্পে ও বাবা উইলফ্রেড এমবাপ্পে। সমর্থকদের সঙ্গে তারাও বিদায়ি মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে হাজির হয়েছিলেন পার্ক দেস প্রিন্সেসে। ২ ম্যাচ বাকি থাকলেও শিরোপা উদযাপন করতে ভুল করেনি পিএসজি। কারণ পরের দুটি ম্যাচ হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। এমবাপ্পে সিক্ত হয়েছেন ভক্তদের ভালোবাসায়, ভেসেছেন স্লোগানে। আবার কেউ দুয়োও দিয়েছেন নিজ দেশের ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার কারণে। হারের কারণে ভক্তরাও কিছুটা মর্মাহত হয়েছে। খেলোয়াড়রাও সেই হতাশা নিয়ে কথা বলেছেন। উসমান দেম্বেলে বলেছেন, ‘জয় পেলে শিরোপা উদযাপনটা আরো ভালোভাবে করা যেত। কিন্তু নিজেদের মাঠে এত সমর্থকদের সামনে হারাটা খারাপ দেখাচ্ছে। এই কারণে উদযাপন কিছুটা হলেও ম্লান হয়েছে।’ ম্যাচটিতে পিএসজির আলট্রাস সমর্থকরা বড় প্ল্যাকার্ডে লিখেছিলেন, ‘প্যারিসের শহরতলীতে থেকে আপনি শিশু থেকে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন।’ লুইস এনরিকে এমবাপ্পেকে নিয়ে বলেছেন, ‘এমবাপ্পে ক্লাবের জন্য যা করেছে সেটি দুর্দান্ত এবং হৃদয়গ্রাহী। সে যুবক হলেও নিজেকে কিংবদন্তির পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এখানে কোনো সন্দেহ নেই। এখনো আমাদের কিছু খেলা বাকি রয়েছে। আমি তার ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য শুভকামনা জানাই। যেখানেই যাবে সে খুবই ভালো করবে।’ দুয়ো ধ্বনি নিয়ে পিএসজি কোচ বলেছেন, ‘আমি এমন কিছু শুনিনি। আমি কেবল সমর্থকদের স্লোগান শুনেছি। তাদের চিৎকার, উল্লাস ও আনন্দ দেখেছি। এটাই এমবাপ্পের প্রাপ্য। সমর্থকরা সবসময় অসাধারণ।’ এমবাপ্পের পাশাপাশি চলতি মৌসুমে পিএসজি ছাড়ছেন ৩৭ বছর বয়সী গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। তারকা এই গোলরক্ষক সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘পার্ক দেস প্রিন্সেসে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত অসাধারণ ছিল। এই স্টেডিয়ামে খেলা আমার জন্য সম্মানজনক ছিল। এখনো আমার অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তবে সুযোগ এসেছে বিদায় বলার।’ তবে কোচ এনরিকে বলেছেন, ‘আমি জানি না ঘরের মাটিতে এটাই তার শেষ ম্যাচ কিনা।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *