পাকিস্তানকে পাত্তা দিলো না ভারতের মেয়েরা

5

১১৪ রানে ভারতের ৬ উইকেট তুলে নিয়ে স্বস্তির সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছিল পাকিস্তান। স্নেহ রানা ও পুজা ভাস্ত্রাকর তাদের হতাশ করলেন সপ্তম উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়ে। ২৪৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুড়ে দিলো ভারত। তারপর বোলারদের দাপট, ১৩৭ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দিয়ে ১০৭ রানের বিশাল জয় পেল মিতালি রাজের দল। ভারতের এই বিশাল জয়ে স্নেহ-পুজার রেকর্ড জুটিই শুধু অবদান রাখেনি। স্মৃতি মান্ধানা ৫২ রান করে, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ৩১ রানে চার উইকেট নিয়ে এবং ১৮ বছর বয়সী রিচা ঘোষ প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ অভিষেকে উইকেটকিপিংয়ে ৫ ডিসমিসাল করে ভূমিকা রাখেন। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে টস জিতে নারী বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্যাটিং নেয় ভারত। তৃতীয় ওভারে শেফালি ভার্মার বিদায়ের পর দীপ্তি শর্মা ও মান্ধানার ৯২ রানের জুটি প্রতিরোধ গড়ে। দীপ্তিকে (৪০) হাফ সেঞ্চুরি করতে দেয়নি পাকিস্তান। ফিফটি ছোঁয়ার পর আর দুটি রান যোগ করে বিদায় নেন মান্ধানা (৫২)। ব্যস, তারপর ধস।

৯৬ রানে ২ উইকেট হারানো ভারতের ৬ উইকেট নেই ১১৪ রানে। ১৮ রানে ৫ উইকেট হারানো ভারতকে উদ্ধার করতে মিডল অর্ডারে দাঁড়িয়ে যান স্নেহ ও পুজা। ১২২ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন তারা, দুজনেই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। পুজা শেষ ওভারের প্রথম বলে আউট হন ৬৭ রান করে। স্নেহ অপরাজিত ছিলেন ৫৩ রানে। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন নিদা দার ও নাশরা সান্ধু। ৭ উইকেটে ২৪৪ রান করা ভারতের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। শুরুটা ছিল ধীরগতির।

১১তম ওভারে ২৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। জাভেরিয়া খানকে (১১) ফেরানো রাজেশ্বরী স্পিন জাদুতে মিডল অর্ডার এলোমেলো করে দেন। তার সঙ্গে ঝুলন গোস্বামী ও স্নেহ বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো পাকিস্তান রানের গতি বাড়াতে পারেনি। ইনিংস সেরা ৩০ রান করেন ওপেনার সিদ্রা আমিন। এ ছাড়া ২৪ রানের উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলেন ডায়ানা বেগ। আর কোনো ব্যাটসম্যান ২০-এর ঘরে যেতে পারেননি। রাজেশ্বরী সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন। দুটি করে পান স্নেহ ও ঝুলন। ম্যাচসেরা হয়েছেন ৫৯ বলে ইনিংস সেরা রান করা ভারতের পুজা।