‘পরাণ’ দেখে যা বললো তারকারা

19

ঈদুল আজহায় মুক্তি পেয়েছে ‘পরাণ’। মুক্তির পর দিন থেকে সিনেমাটি হলগুলো দর্শক টানছে। শুরুর ১১ থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহে ৫৫টি হলে চলছে পরাণ। লাইভ টেকনোলজিস লিমিটেডের প্রযোজনায় রায়হান রাফী পরিচালনায় ঈদের আলোচিত এই সিনেমার স্পেশাল শো অনুষ্ঠিত হলো। গত শনিবার বিকালে রাজধানীর মিরপুরের সনি সিনেপ্লেক্সের এই বিশেষ শো-তে এসেছিলেন দেশের সিনেমা ও টিভি নাটকের তারকা নির্মাতা ও শিল্পীরা। ‘পরাণ’ দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, আরিফিন শুভ, মিশা সওদাগর, নিরব, তমা মির্জা, দীঘি, টয়া, শাওন, মাহিয়া মাহি, সিয়াম আহমেদ, পূজা চেরি, সাইমন সাদিক, মনিরা মিঠু, নূরুল আলম আতিক, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, অরণ্য আনোয়ার, আশফাক নিপুণসহ অনেকে।

পাশাপাশি ছিলেন ‘পরাণ’ সিনেমার শিল্পী বিদ্যা সিনহা মিম, শরিফুল রাজ, ইয়াশ রোহান, পরিচালক রায়হান রাফী, রাশেদ মামুন অপু, অন্যতম প্রযোজক ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ। তবে এই স্পেশাল শো-তে এসে বিশেষভাবে নজর কাড়েন পরীমণি। অন্তঃসত্ত্বা হলেও স্বামী শরিফুল রাজের সাফল্যে ছুটে হলে চলে এসেছেন এই নায়িকা। সকলের সাথে বসে তিনি সিনেমাটি উপভোগ করেন। সেইসঙ্গে আলোচিত এ নায়িকা তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। পরীমণি বলেন, রাজ অভিনীত ‘পরাণ’ সিনেমার প্রশংসা শুনছি সবার মুখে। সিনেমা নিয়ে চারিদিকে আলোচনা হচ্ছে। আমারতো খুশিতে কান্না চলে এসেছে। ওরা সবাই ভালো অভিনয় করেছেন।’ মিশা সওদাগর বলেন, ‘পরাণ’ ছবিটি অসাধারণ। এখন দর্শকদের টেস্টটা যেখানে গেছে, তারা এখন যে ধরণের সিনেমা চায় সিনেমাটি ঠিক সে রকম। পরিচালক শিল্পীদের যেভাবে সাজিয়েছে সেটাই দর্শকদের মনে ধরে গেছে। আরিফিন শুভ বলেন, ‘প্রত্যেকের অভিনয় খুবই ভালো হয়েছে।

সবাই নিজের সেরাটা দিয়েছেন।’ সিয়াম বলেন, ‘এমন ছবি হাউজফুল হওয়াই স্বাভাবিক। আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে।’ মাহি বলেন, ‘সিনেমাটি আমার কাছে অনেক ভালো লেগছে। সিনেমা যদি এমন হয় হল ভাঙাচোরা যেমনই হোক দর্শককে আটকে রাখা যাবে না। তারা সিনেমা দেখতে আসবেই। আমরা একে অপরের সিনেমা দেখা উচিত। এই সিনেমা নিয়ে এত আলোচনা, না দেখতে এলে মানসম্মান থাকবে না।’ চিত্রনায়ক নিরব বলেন, ‘গল্প বলার ধরনই আলাদা। খুব সাধারণ গল্পকে অসাধারণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমি মুগ্ধ হয়ে শুধু দেখেছি।’ দীঘি বলেন, ‘সত্যি অনেকদিন পর অসাধারণ এক মুভি দেখলাম। আমি জাস্ট অনুভূতি প্রকাশের ভাষা হারিয়েছি।’ পূজা চেরী জানালেন, ‘পরাণ’ সিনেমা তো আসলে পরাণ ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই একটি সিনেমা।

এই সিনেমাটি কোনোভাবেই মিস করতে চাচ্ছিলাম না। এতে যারা অভিনয় করেছেন প্রত্যেকের অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছি। দিঘী বলেন, এই নিয়ে সিনেমাটি দুইবার দেখলাম। আরও একবার দেখার প্লান আছে। সব মিলিয়ে আনেক বেশি ভালো লাগছে যে বাংলা সিনেমার টিকিট পাওয়া যাচ্ছেনা। এটার থেকে আনন্দের খবর আর কিছু নেই। এদিকে পুরো আয়োজনে পর্দা ও বাস্তবে সবার নজর ছিলো শরিফুল রাজের দিকে। মুভি স্ক্রিনিং শেষে আবেগ তাড়িত রাজ বলেন, ‘এটাই হওয়ার কথা। যেটা আজ ঘটলো। ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবাই এসেছেন, দেখেছেন, এপ্রিশিয়েট করেছেন। যে কালচার আমাদের এখানে নেই। আমরা যদি একে অপরের প্রমোশন না করি, তাহলে এই ইন্ডাস্ট্রি আগাবে কেমন করে? আজ আমার ছবি দেখতে কাঞ্চন ভাই, শুভ ভাইরা এসেছেন। এটা দেখেও আমার বুকটা ভরে গেলো।’