পদত্যাগ করলেন গিগস

5

অনেক দিন ধরেই ওয়েলসের ডাগ আউটে নেই রায়ন গিগস। সাবেক বান্ধবী ও তার বোনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠার পর সাময়িকভাবে সরে দাঁড়িয়েছিলেন দায়িত্ব থেকে। এবার পাকাপাকিভাবেই পদত্যাগ করলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই উইঙ্গার। ৪৮ বছর বয়সী গিগস সোমবার ওয়েলস ম্যানেজারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়েলসও (এফএডব্লিউ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গিগসের বিরুদ্ধে সাবেক বান্ধবী ও তার বোনের ওপর জবরদস্তিমূলক আচরণ ও আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। গিগস সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এবং এখন জামিনে রয়েছেন। ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্টে ২৪ জানুয়ারি তার বিচার শুরুর কথা ছিল।

কিন্তু ৮ অগাস্ট পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে তা। যে কারণে ওয়েলস কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি, যা কার্যকর হবে তাৎক্ষিণকভাবে। “অনেক ভাবনার পর আমি ওয়েলস পুরুষ জাতীয় দলের ম্যানেজারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিজ দেশের দায়িত্ব পালন করা বিশেষ সম্মান ও বড় পাওয়া। এটাই একমাত্র ঠিক হবে যেন, প্রধান কোচ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ছাড়াই নিশ্চয়তা ও স্পষ্টতা নিয়ে ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, কোচিং স্টাফ এবং খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে।” “মামলাটি বিলম্বিত হওয়ার জন্য কেউ দায়ী নয়।

আমি চাই না, এই মামলাটি ঘিরে থাকা আগ্রহের কারণে দেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও অস্থিতিশীল হোক কিংবা কোনো ঝুঁকিতে পড়ুক।” গিগস ২০২০ সালের নভেম্বরে সামিয়কভাবে ওয়েলস কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সহকারী কোচ রবার্ট পেজ এরপর থেকে প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তার কোচিংয়েই চলতি মাসে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্লে-অফে ইউক্রেইনকে হারিয়ে ১৯৫৮ সারের পর প্রথমবার মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে ওয়েলস।