নিয়ামতপুরের চন্দননগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিত্যক্ত ভবনে চলছে পাঠদান কার্যক্রম

85

Chondonnagor school Niama6566tpur Pic-17.04.15

নওগাঁর নিয়ামতপুরের চন্দননগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারী সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শ্রেণী কক্ষের অভাবে পটদান কার্যক্রম চলছে পার্শ্ববর্তী একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যাক্ত কক্ষে।
১৯৯২ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়ে ২৪ বছর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত বিদ্যালয়ের পাকা ভবন নির্মিত হয়নি। নিজস্ব অর্থায়নে মাত্র ৪টি টিন সেডের কক্ষে কোন রকমে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। এসব শ্রেণী কক্ষের অবস্থাও করুন। বর্ষা মৌসুমে টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় পার্শ্ববর্তী চন্দননগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যাক্ত ৪টি কক্ষে ক্লাশ নিচ্ছেন শিক্ষকরা।  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাফিল আলম জানান, ২৪ বছর পূর্বে এ বিদ্যালয় স্থাপিত হলেও আজ পর্যন্তকোন সরকারী অনুদানে কোন পাকা ভবন নির্মিত হয়নি। তিনি আরো জানান, মাত্র ২০জন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও আজ প্রায় ১৭০জন ছাত্রী লেখা পড়া করছে। বিদ্যালয়ের ফলাফল ভাল। ২০১২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ১৬জন ছাত্রী অংশ গ্রহন করেছিল পাশ করেছিল ১৫জন, ২০১৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিল ১৬জন পাশ করেছিল ১৬জনেই, ২০১৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিল ১৪ জন পাশ করেছিল ১৪ জনেই এর মধ্যে জিপিএ-৫ তিনজনের মধ্যে ২জন গোল্ডেন পেয়েছে। তিনি জানান, বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে ৭জনের এমপিও হলেও তিন জনের এমপিও আজ পর্যন্ত হয় নাই। বিদ্যালয়ের সভাপতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা খালেকুজ্জামান তোতা বলেন, আমি বার বার চেষ্টা করেও বিদ্যালয়ের জন্য একাডেমীক ভবন আনতে ব্যর্থ হয়েছি, তবে হাল ছাড়িনি। চেষ্টা চালিযে যাচ্ছি।