নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়

5

দুই দলের কারওই ব্যাটিং ভালো হয়নি। এর পেছনে বোলারদের যত না অবদান, তার চেয়ে বড় অবদান উইকেটের। এ কারণেই কেয়ার্নসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৫ রান তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ৮২ রানে গুটিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড! অস্ট্রেলিয়ার এই স্কোরের পেছনে বড় অবদান আবার মিচেল স্টার্কের! এই পেসার আজ ‘অলরাউন্ডার’ হিসেবে ম্যাচসেরাও হয়েছেন। ১১৩ রানের বিশাল এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে (০) তুলে নেন ম্যাট হেনরি।

দলীয় ৭ রানে হেনরির শিকার হন অপর ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার (৫)। এভাবেই টপাটপ উইকেট পড়তে থাকে। ৫৪ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পর স্টিভ স্মিথ এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৬ষ্ঠ উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়েন। ৫০ বলে ২৫ রানের স্বভাববিরুদ্ধ ইনিংস খেলা ম্যাক্সওয়েলের বিদায়ে ভাঙে জুটি। ১০ম উইকেটে আরেকটি কার্যকর জুটির দেখা পায় অস্ট্রেলিয়া। দুই পেসার জস হ্যাজেলউড আর মিচেল স্টার্ক মিলে ৩৬ বলে ৪৭* রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলের স্কোর ৯ উইকেটে ১৯৫ রানে নিয়ে যান। স্টার্ক করেন ৪৫ বলে অপরাজিত ৩৮* আর হ্যাজেলউড ১৬ বলে অপরাজিত ২৩* রান করেন। সর্বোচ্চ ৬১ রান এসেছে স্টিভেন স্মিথের ব্যাট থেকে। ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেন পেস তারকা ট্রেন্ট বোল্ট। আরেক পেসার ম্যাট হেনরি নেন ৩৩ রানে ৩টি।

রান তাড়ায় নেমে নিউজিল্যান্ডও যথারীতি শুরু থেকে বিপদে পড়ে। দলীয় ২ রানে ফিরেন মার্টিন গাপটিল (২)। শন অ্যাবটের বলে দলীয় ১৪ রানে পরপর ফিরে যান ডেভন কনওয়ে (৫) এবং টম ল্যাথাম (০)। এভাবেই টপাটপ উইকেট পড়তে থাকে। বল হাতে ধ্বংসাত্মক হয়ে ওঠেন লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। ৯ ওভারে মাত্র ৩৫ রান দিয়ে তিনি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট শিকার করেন। অজিদের মতো নিউজিল্যান্ডের কোনো ব্যাটার রুখে দাঁড়াতে পারেননি। হয়নি কোনো জুটি। আরও পরিস্কার করে বললে, কোনো কিউই ব্যাটার ২০ এর ঘরে যেতে পারেননি! সর্বোচ্চ ১৭ রান করেছেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৬ ব্যাটার দুই অংকই ছুঁতে পারেননি। মাত্র ৮২ রানে গুটিয়ে যায় কিউইরা। জাম্পা ছাড়াও ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক এবং শন অ্যাবট।