নারীদের অন্তর্বাস ফুটবল

137

05-

শত বর্ষেও নারী ফুটবলে জনপ্রিয়তাটা সেই হারে বাড়েনি। দর্শক বা স্পন্সর কাউকেই তেমন আকৃষ্ট করতে পারেনি। এই ফুটবলকে আকর্ষণীয় করতে খেলার মানের দিকে নজর না দিয়ে বিতর্কিত পথে হাঁটছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বল্প বাসনে আঁটশাট পোশাক পড়িয়ে নারী ফুটবলারদের মাঠে নামানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে খোদ ইউরোপে। এমনকি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাও এ ধরনের কৌশলে অনেক সময় ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম মিরর এমন সংবাদই প্রকাশ করেছে।
ফিফার সাবেক সভাপতিত সেপ ব্লাটার বলেছিলেন, নারী ফুটবলের জনপ্রিয়তা বাড়াতে মেযেদের আরো আঁটশাট ও ছোট পোশাক পড়া উচিত। এ নিয়ে তখন অনেক সমালোচনা হয়েছে। তবে সম্প্রতি ম্যানচেস্টারে একটি নতুন লিগ আয়োজন করা হচ্ছে। লিঙ্গেরি ফুটবল লিগ ইউকে- এর প্রতিষ্ঠাতা গেম্মা হগস। অন্তর্বাস পরে খেলোয়াড়রা যখন দৌড়াবে তখন নারীদের স্পর্শকাতর অঙ্গ প্রদর্শিত হবে। টুর্নামেন্টের এই আয়োজক মনে করছেন তাতেই নারী ফুটবলের প্রতি স্পন্সরদের আগ্রহ বাড়বে। গেম্মা হগস নিজেকে মার্কেটিংয়ে দক্ষ এবং একজন অন্তর্বাস ব্লগার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট ইউকে কনফিডেন্সিয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে হগস বলেন, ‘আমার বয়স এখন ২৩ বছর। নারী ফুটবলে টাকা ও স্পন্সরশিপের জন্য আমি তাই আরো ২০ বছর অপেক্ষা করতে চাই না। আমি জানি এটা বিতর্কিত এবং দুঃখজনক। তবে এর মাধ্যমে গণমাধ্যমে প্রচারণা পাবে। টিকিটও বেশি বিক্রি হবে। আর সব টাকাই নারী ফুটবল খেলোয়াড়দের পেছনে ব্যয় করা হবে। এর মাধ্যমে কোনো নারীকে সুন্দরী বা যৌন আবেদনময়ী লাগবে না। বরং একজন নারীকে নারীর মতোই লাগবে।’
টেনিসের মতো ইভেন্টে নারীদের প্রাইজমানি সমান অথচ ফুটবলে পুরুষদের সঙ্গে নারী ফুটবলারের মূল্যের পার্থক্য আকাশ-পাতাল। লিগ আয়োজনে ওল্ড ট্রাফোড সংলগ্ন এক হোটেলের ছাঁদের ফুটবল গ্রাউন্ডে প্রথম অন্তর্বাস পরিবহীত মেয়েদের নিয়ে একটি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হবে। যা আগামী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য বিভিন্ন দেশের মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন হগস। নতুন এই আইডিয়া সবাইকে আকৃষ্ট করবে বলে ধারণা করছেন তিনি।