নাচোলে বাগানমালিকদের কৃষি কার্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি উপপরিচালকের

5

ফল বাগান মালিকদের মধ্যে কৃষি কার্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার। শনিবার নাচোল ফলচাষি কল্যাণ সমিতি আয়োজিত উদ্যোক্তা সমাবেশে দাবি উঠলে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সাফিনা পার্কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বনভোজনের আয়োজন করে কল্যাণ সমিতি। সমাবেশে এ দাবি ছাড়াও কল্যাণ সমিতির সদস্যরা তাদের বাগানে ব্যবহৃত পানির মটরের বৈদ্যুতিক মিটারের বিল বাণিজ্যিকের পরিবর্তে শিল্প বা কৃষি হিসেবে পরিবর্তনের দাবি জানান। এছাড়া ফল রপ্তানির প্রক্রিয়া সহজীকরণসহ সবাই যেন রপ্তানির সুযোগ পান, সে পদক্ষেপ নেয়ারও অনুরোধ জানান।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) বুলবুল আহমেদ, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় কুমার সরকার ও নাচোল উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ আকরাম।
ড. পলাশ সরকার তার বক্তব্যে বাগানমালিকদের কৃষি কার্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং কল্যাণ সমিতিকে তালিকা জমা দেয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া আম ও সেচবিষয়ক উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন।
পলাশ সরকার চাঁপাইনবাবগঞ্জকে আম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে তার প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরেন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, কীটনাশক কোম্পানির আরএসএম শামছুল আলম, ফলচাষি কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সহ-কোষাধ্যক্ষ শুকুর উদ্দীন, সিনিয়র সদস্য হারুন অর রশিদ, সাধারণ সদস্য সাদিকুল ইসলাম ও অহাব আলীসহ আরো অনেকে। এতে সভাপতিত্ব করেন ফলচাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাদিকুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন সমিতির সিনিয়র সদস্য মো. খোবায়ের আলী।
শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
উল্লেখ্য, ফল বাগানের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সেচ ব্যবস্থা সহজীকরণ, টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক লাভজনক ফলচাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন ও বাস্তবায়ন, ফল সংরক্ষণ ও ন্যায্য দামে বিক্রির যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষে বাগানমালিকদের নিয়ে ‘নাচোল ফলচাষি কল্যাণ সমিতি’ গঠন করা হয়।