দৈনিক গৌড় বাংলা

শনিবার, ২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

দুই হ্যাটট্রিকে রেকর্ড গড়লেন তৃষ্ণা

দলীয় পারফরম্যান্সের চরম হতাশার সিরিজের শেষ দিকে এলো ব্যক্তিগত অর্জনের আলো। সিরিজে প্রথমবার মাঠে নেমেই হ্যাটট্রিক উপহার দিলেন ফারিহা তৃষ্ণা। একাধিক হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার জায়গা করে নিলেন রেকর্ডের পাতায়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার শেষ ওভারের শেষ তিন বলে উইকেট নিয়ে এই কীর্তি গড়েন তৃষ্ণা। ২০২২ সালে সিলেটে এশিয়া কাপের ম্যাচে মালেয়েশিয়ার বিপক্ষেও হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একাধিক হ্যাটট্রিক করা মাত্র তৃতীয় বোলার বাংলাদেশের এই ২১ বছর বয়সী পেসার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবার ওয়ানডে সিরিজের তিন ম্যাচ ও প্রথম টি-টোয়েন্টিতে একাদশের বাইরে ছিলেন তৃষ্ণা। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে খেলতে নেমে শুরু থেকেই বেশ আঁটসাঁট বোলিং করেন তিনি। দল প্রথম ব্রেক থ্রু পায় তার হাত ধরেই। প্রথম দুই ওভারে স্রেফ দুই রান দেন তিনি। তার তৃতীয় ওভারে অবশ্য দুটি বাউন্ডারি মারেন জর্জিয়া ওয়্যারহ্যাম। ও

য়্যারহ্যাম ও গ্রেস হ্যারিসের দারণ জুটিতে পরে বড় স্কোরের দিকেই এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তৃষ্ণা নিজের শেষ ওভারটি করতে আসেন ইনিংসের শেষ ওভারে। প্রথম বলে দারুণ কাভার ড্রাইভে চার মারেন এলিস পেরি। এরপর তৃষ্ণা ঘুরে দাঁড়ান দারুণভাবে। পরের দুই বলে আসে দুটি সিঙ্গেল। এরপর সেই হ্যাটট্রিক। শুরুটা এলিস পেরিকে দিয়ে। উড়িয়ে মারার চেষ্টায় কাভা স্বর্ণা আক্তারের হাতে ধরা পড়েন ২৯ রান করা ব্যাটার। পরের বলে কাট করে বৃত্তের ভেতরই মুর্শিদা খাতুনের তালুবন্দি হন সোফি মলিনিউ। হ্যাটট্রিক ডেলিভারিতে ফিল্ডারের সহায়তা লাগেনি তৃষ্ণার। শাফল করে খেলার চেষ্টা করেন বেথ মুনি। কিন্তু বাঁহাতি ব্যাটারের পায়ের পেছন দিয়ে বল গিয়ে ছোবল দেয় লেগ স্টাম্পে। উল্লাসে মেতে ওঠেন তৃষ্ণা ও তার সতীর্থরা। ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে শেষ করেন তৃষ্ণা। ক্যারিয়ারে প্রথমবার পেলেন ম্যাচে চার উইকেট। অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে তোলে ১৬১ রান। মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন আর কেবল হংকংয়ের ক্যারি চ্যান ও উগান্ডার কন্সি এউকো। বাংলাদেশের হয়ে তৃষ্ণা ছাড়াও টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করেছেন ফাহিমা খাতুন, ওয়ানডেতে রুমানা আহমেদ।

About The Author