দিল্লির সব বেসরকারি অফিস বন্ধ

7

প্রতিদিন ভারতের রাজধানী দিল্লিতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এ পরিস্থিতিতে সামগ্রিক লকডাউনের পথে না গিয়েও ক্রমশ কড়াকড়ির পথে হাঁটছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিল্লি সরকার। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পানশালায় বসে ভোজ বন্ধ করার পর এবার রাজধানী দিল্লিতে বন্ধ হতে চলেছে সব বেসরকারি অফিসের কার্যালয়। কর্মীরা বাড়িতে বসেই করবেন অফিসের কাজ। সেই সিদ্ধান্তে মোতাবেক জারি হয়েছে নতুন নির্দেশনা। ওমিক্রন মোকাবিলায় গত সোমবারই বন্ধ হয়েছিল দিল্লির রেস্তোরাঁ, হোটেলে বসে খাওয়া।

বলা হয়েছিল, খাবার কিনে তা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেতে হবে। চালু থাকবে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা। এতদিন ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে চালু ছিল সরকারি-বেসরকারি অফিস। এবার সেই নিয়মে পরিবর্তন আনল ডিডিএমএ। নতুন নির্দেশনায় সব বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই সব অফিসের ১০০ শতাংশ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। প্রত্যাশিত ভাবেই জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে এ নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার ১৯ হাজারের বেশি নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। যা গত রোববারের (২২ হাজার ৭৫১) তুলনায় কিছুটা কম।

যদিও অনেকের মতে, গত রোববার একাধিক সরকারি পরীক্ষাগার বন্ধ থাকে। তাই সংক্রমণ কম হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। গতসোমবার রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২৫ শতাংশ। যা গত ৫ মে মাসের পর সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ১৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেন, আগামী দু-একদিনের মধ্যেই শহরে সংক্রমণ চূড়ায় পৌঁছাবে। এমনও হতে পারে, আমরা বর্তমানে সংক্রমণের চূড়াতেই অবস্থান করছি।’ এই পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেই সংক্রমণ মোকাবিলার পথে যাচ্ছে দিল্লি।