দিবালা-দি মারিয়াকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় মেসি

3

চোট সমস্যায় লিওনেল মেসি খেলতে পারেননি ক্লাবের সবশেষ দুই ম্যাচে। তবে নিজের সমস্যা নয়, তাকে বেশি ভাবাচ্ছে আনহেল দি মারিয়া ও পাওলো দিবালার চোট। কাতার বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের দুই সতীর্থ যেন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন, সেই প্রার্থনা করছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। পায়ের পেশির সমস্যায় গত সপ্তাহে লিগ ওয়ানে রাঁসের বিপক্ষে এবং পরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেনফিকার বিপক্ষে খেলতে পারেননি মেসি। দুটি ম্যাচই জিততে ব্যর্থ হয় পিএসজি। ক্লাবের পক্ষ থেকে অবশ্য শুরু থেকেই বলা হচ্ছে, মেসির চোট তেমন গুরুতর কিছু নয়। ইতোমধ্যে সেরেও উঠেছেন তিনি। রোববার লিগ ওয়ানে অলিম্পিক মার্সেইয়ের বিপক্ষে খেলবেন পিএসজি তারকা। দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বড় দুর্ভাবনার কারণ হতে পারে দিবালা ও দি মারিয়ার চোট। আগামী ২০ নভেম্বর শুরু হবে এবারের বিশ্বকাপ। এমন সময়ে যে কারোর চোটই তার ও দলের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করেন মেসি। ডিরেকটিভি’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাতবারের বর্ষসেরা ফুটবলার আশা প্রকাশ করেন, প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠবেন দিবালা ও দি মারিয়া।

“বিষয়টা দুশ্চিন্তার, কারণ এটা ভিন্ন এক বিশ্বকাপ। ভিন্ন সময়ে খেলতে হবে এবং আমরা এর খুব কাছাকাছি সময়ে আছি। এখন খুব ছোট সমস্যাও একজন খেলোয়াড়কে ছিটকে দিতে পারে।” “আশা করি, দুজনই সুস্থ হয়ে উঠবে। বিশ্বকাপের আগে সেরে উঠতে তাদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে। আশা করি, আমরা সবাই সুস্থ শরীরে সেখানে যাবো।” ফুটবল বিশ্বকাপ সাধারণত হয়ে থাকে ইউরোপীয় মৌসুম শেষে, জুন-জুলাইয়ে। তবে ওই সময়ে কাতারে প্রচ- গরম থাকার কারণে এবারের বৈশ্বিক আসরটি হচ্ছে নভেম্বর-ডিসেম্বরে। গত মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যাকাবি খাইফার বিপক্ষে ইউভেন্তুসের ম্যাচ চলাকালীন ঊরুতে ব্যথা অনুভব করায় মাঠ ছাড়েন দি মারিয়া। স্ক্যান রিপোর্টে ৩৪ বছর বয়সী মিডফিল্ডারের ডান ঊরুর হ্যামস্ট্রিংয়ে লো গ্রেড ক্ষত ধরা পড়ে। নভেম্বরের শুরুর দিকে মাঠে ফেরার সম্ভাবনা আছে তার। তবে প্রায় এক মাসের মতো বাইরে থাকার পর মাঠে ফিরে দ্রুত ছন্দ খুঁজে পাওয়াটা চ্যালেঞ্জিং হবে দি মারিয়ার জন্য। দিবালা চোট সমস্যাও ঊরুতে, তবে বেশ গুরুতর। ২৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি তার ক্লাব রোমা। তবে বিশ্বকাপের আগে তার ফেরার খুব একটা সম্ভাবনা নেই বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপের এত কাছাকাছি এসে চোটে পড়ার শঙ্কাও অনেক ভয়ঙ্কর। তবে এজন্য আগে থেকে দুশ্চিন্তা করার কোনো মানে দেখেন না তিনি। “এই সময়ে এমন কিছু দেখাটাই ভয়ঙ্কর, তবে এই বিষয়ে ভেবে কাতর হওয়াটাও ঠিক নয়। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সবসময়ের মতো স্বাভাবিক থাকা, সুস্থ ও ফিট থাকতে খেলে যাওয়াই সেরা পথ।” আসছে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা লড়বে ‘সি’ গ্রুপে। সেখানে তাদের সঙ্গী সৌদি আরব, মেক্সিকো ও পোল্যান্ড।