দর্শকের উপস্থিতিতেই হবে আফগানিস্তান সিরিজ

7

শূন্য গ্যালারি নয়, দর্শকের উপস্থিতিতেই হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তবে এখনও স্থির হয়নি দর্শক সংখ্যা। ঠিক হয়নি টিকেট বিক্রির প্রক্রিয়াও। বিসিবি ধারণ ক্ষমতার পঞ্চাশ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতির জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে। বাংলাদেশে সবশেষ আন্তর্জাতিক সিরিজেও দর্শক ছিল মাঠে। গত বছরের শেষ দিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই সিরিজের পর করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের প্রাদুর্ভাবে আবার বিধিনিষেধের কবলে পড়ে দেশ। মাঠ হয়ে পড়ে দর্শকশূন্য।

বিপিএল ফাইনাল দিয়ে আবার ক্রিকেট মাঠে গ্যালারি খুলে দেওয়া হয়েছে তাদের জন্য। গত শুক্রবার হয়ে যাওয়া সেই ম্যাচে দর্শক থাকলেও টিকেট বিক্রি করেনি বিসিবি। ফ্র্যাঞ্চাইজি ও অংশীদারদের মধ্েয হাজার চারেক টিকেট বণ্টন করে দেয় তারা। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার সিরিজের টাইটেল স্পন্সরের নাম ঘোষণার সময় বিসিবির গণমাধ্যম ও যোগাযোগ কমিটিন প্রধান তানভির আহমেদ টিটো জানালেন, টিকেট দেওয়ার প্রক্রিয়া জানানো হবে শিগগির। “আমরা সরকার থেকে যে নির্দেশনা পেয়েছিলাম, তাতে (বিপিএলের ফাইনালে) ৩-৪ হাজার দর্শককে মাঠে খেলা দেখতে দেওয়ার অনুমতি ছিল। (আফগানিস্তান সিরিজে কী হবে) এ ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে।” “আমরা চাচ্ছি অন্তত ৫০ ভাগ দর্শক যেন থাকে।

সরকার থেকে আমরা যে নির্দেশনা পেয়েছি, তাতে চট্টগ্রামে অন্তত ৩-৪ হাজার আর ঢাকায় অন্তত হাজার পাঁচেক দর্শক যেন থাকে, এরকম একটা আলোচনা হয়েছে। তারপরও চেষ্টা চলছে। সরকারের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত পেলে অন্তত ৫০ শতাংশ দর্শককে খেলা দেখার সুযোগ করে দিতে পারি কি না, সেই চেষ্টা করছি। এটা না হলেও চট্টগ্রামে অন্তত ৩-৪ হাজার আর ঢাকায় ৫-৬ হাজার দর্শক থাকবে।” ডিআরএস-এর যন্ত্রপাতি চলে এসেছে বিপিএল চলার সময়ই। কিন্তু টেকনিশিয়ান না আসায় সেই টুর্নামেন্টে ছিল না এই প্রযুক্তির ব্যবহার। রোববার তানভির নিশ্চিত করেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে থাকছে ডিআরএস।

“হ্যাঁ, ডিআরএস নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিপিএলের শেষাংশ থেকেই ডিআরএস থাকার কথা ছিল। আমাদের যন্ত্রাংশ সব ছিল, তবে যারা ডিআরএস পরিচালনা করে তারা উপস্থিত হতে পারেনি। তবে তারা চলে এসেছেন এবং চট্টগ্রাম থেকেই ডিআরএসের ব্যবহার দেখা যাবে।” ব্রডকাস্টারদের টেকনিশিয়ান এলেও আইসিসির টেকনিশিয়ান এখনও এসে পৌঁছাননি। তিনি আদৌ আসবেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত নয় বিসিবি। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে অটো নো বল থাকা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আগামী ২৩, ২৫ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে হবে তিনটি ওয়ানডে। ৩ ও ৫ মার্চ মিরপুরে হবে দুটি টি-টোয়েন্টি। সিরিজ দুটির আনুষ্ঠানিক নাম হবে ‘ইস্পাহানী বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান সিরিজ ২০২২, পাওয়ার্ড বাই ওয়ালটন।’