থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃত ২১

129

1thailandথাইল্যান্ডের দুর্যোগ প্রতিরোধ ও নিরসন বিভাগ জানিয়েছে, বন্যায় সোমবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। ৩ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত থাইল্যান্ডে বর্ষাকাল। দেশটিতে জানুয়ারিতে বন্যা বিরল। অকাল বৃষ্টিতে দেশটির ৬৭টি প্রদেশের মধ্যে ১২টি প্রদেশে বন্যা ছড়িয়ে পড়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে অকাল বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। অঞ্চলটির রাবার উৎপাদন ব্যাপক মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রবিত ওংসুওন সাংবাদিকদের বলেন, “পরিস্থিতি সহজ করার লক্ষ্যে আমরা সেনা, পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছি।” সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ-সহায়তা বাড়ানো হয়েছে। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল রাবার উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বন্যা রাবার চাষীদের জন্য দুর্যোগ বয়ে এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির ন্যাচারাল রাবার কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট উথাই সোনলুকসাব।
তিনি আরো বলেন, চাহিদার তুলনায় এ বছর রাবার সরবরাহ কমে যাবে বিধায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম বেড়ে যাবে।
এরআগে শুক্রবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা অঞ্চলটিতে সফর করেন। দেশটিতে দক্ষিণাঞ্চলের সমুদ্র সৈকত ও রিসোর্টগুলোর জন্য এই সময়ই ব্যবসার মূল সময়। কিন্তু এই সময়ে ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যায় এই ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এরআগে দেশটির বিমানবন্দর বিভাগ জানায়, শুধু শুক্রবার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ নাকোন সি তামারাত বিমানবন্দরের ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। বৃষ্টির কারণে রানওয়ে ডুবে গেলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির জাতীয় দুর্যোগ সতর্কীকরণ কেন্দ্রের একজন কর্মকর্তা বলেন, “অকাল ভারী বৃষ্টির কারণে ১ জানুয়ারি থেকে বন্যা শুরু হয়েছে।” পানিতে রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার প্রধান রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।