তদন্তে দোষী হলে ধরা দেবেন অ্যাসাঞ্জ

118

03-Assange-brief-media-at-Ecua

বিশ্বজুড়ে হইচই ফেলে দেয়া ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বলেছেন, যুক্তরাজ্যে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জাতিসংঘ প্যানেলের বৈধতা পেলে আজ শুক্রবারই তিনি ব্রিটিশ পুলিশের হাতে ধরা দিতে পারেন। যৌন নিপীড়নের মামলায় সুইডেনে প্রত্যর্পণ এড়াতে ২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান করছেন অস্ট্রেলীয় নাগরিক অ্যাসাঞ্জ।তার অভিযোগের বিষয়ে জাতিসংঘের ‘নিবর্তনমূলক গ্রেপ্তার’ বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ যে তদন্ত করছে, তার প্রতিবেদন প্রকাশ করার কথা রয়েছে আজ শুক্রবার।গত বুধবার টুইটারে এক বিবৃতিতে অ্যাসাঞ্জ বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদন বিপক্ষে গেলে তিনি মেনে নেবেন যে এ বিষয়ে আর কোনো আবেদনে অর্থবহ কোনো পরিবর্তনের আশা নেই।উইকিলিকস ২০১০ সালে যুক্তরা্েরর বিপুল সংখ্যক কূটনৈতিক নথি ফাঁস করে দিলে স্পর্শকাতর বিভিন্ন ঘটনায় যুক্তরা্েরর ভূমিকা ও অবস্থান গণমাধ্যমে চলে আসে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেকায়দায় পড়ে যায় বিশ্বের ‘সবচেয়ে ক্ষমতাধর’ দেশটি। ওই সময়ই বিশ্বব্যাপী আলোচনায় আসেন অ্যাসাঞ্জ।
সুইডেনের অনুরোধে যুক্তরাজ্যের পুলিশ ২০১০ সালের ৭ ডিসেম্বর অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে। নয় দিন পর কঠিন কয়েকটি শর্তে জামিন পান তিনি। পাসপোর্ট জমা রেখে দিনরাত গোড়ালিতে ইলেকট্রনিক ট্যাগ পরা অবস্থায় এক বন্ধুর বাড়িতে থাকার এবং প্রতিদিন থানায় হাজিরা দেওয়ার শর্তে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর অ্যাসাঞ্জ উচ্চ আদালতে গেলেও তাকে সুইডেনের কাছে হস্তান্তরের পক্ষে রায় আসে। ওই অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯ জুন লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে ঢুকে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। তার আহ্বানেই ২০১৪ সালে জাতিসংঘ প্যানেল বিষয়টির তদন্ত শুরু করে।