ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের শোক সভা

11

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে জেলা শহরের আলাউদ্দিন চাইনীজ ও ফাস্টফুডের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা এই সভার আয়োজন করে।
সংগঠনটির জেলা শাখার সভাপতি ডা. মেসবাহুল হক মেসবার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মু. জিয়াউর রহমান জিয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাহমুদুর রশিদ ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম।
বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ ও সম্ভ্রম হারানো মা বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু আদর্শের কাছে, বাংলার অধিকার আদায়ে বারবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন কিন্তু কখনই মাথা নত করেন নি। তিনি বাংলার মানুষকে ভালোবাসতেন। বঙ্গবন্ধু জানতেন একটি জাতির মেরুদÐ শিক্ষা। সেজন্য তিনি প্রথমেই প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন সোনার বাংলা গড়ে তোলার। কিন্তু দেশী এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা যারা এদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি, যারা বিরোধীতা করেছিল তারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তারা চেয়েছিল আওয়ামী লীগকে বাংলার মাটি থেকে মুছে দিতে। কিন্তু তারা তা পারেনি। কারণ, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর বোন শেখ রেহেনা বিদেশে থাকায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান। ব্যর্থ হয় স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে ফিরে শক্তহাতে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। এক সময় আমরা একটি নতুন বই কিনতে পারতাম না। এখন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের নতুন বই দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে, কাজেই আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
আলোচনার এক পর্যায়ে ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসিস্টেন্টদের চাকরি জাতীয় করণের বিষয়টি উঠে আসলে জিয়াউর রহমান বলেন আপনারা স্মারকলিপি দিলে তা প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিকট পৌঁছে দেব এবং এনিয়ে সংসদে কথা বলব।