ডাক্তার হতে চেয়ে ফিল্মের দুনিয়ায় মজে গেছি : মানুসি চিল্লার

9

আক্ষরিক অর্থেই বলিউডে ‘রাজকীয়’ অভিষেক ঘটলো মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭-জয়ী মানুসি চিল্লারের। ‘স¤্রাট পৃথ্বীরাজ’ মুক্তি পেলো গত শুক্রবার। এরইমধ্যে উপভোগ করতে শুরু করেছেন রূপালি পর্দার তারকাখ্যাতি। বম্বে টাইমসকে বললেন, এখানে এত সৃজনশীলতা যে আমি ফিল্মে একেবারে মজে গেছি। সাক্ষাৎকারে নিজের বদলে যাওয়ার দিনগুলোর গল্পও করেছেন মানুসি। ডাক্তার হওয়ার যাত্রায় মাঝপথে মোড় বদলানো প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘মিস ওয়ার্ল্ড যখন হই, তখন বয়স ২০।

তখন থেকেই আমূল বদলে গেলো জীবনটা। নতুন নতুন জিনিস আসতে শুরু করলো- জনপ্রিয়তা, প্রেসের আনাগোনা, আরও এমন সব সুযোগ যেগুলো আগে চিন্তাতেও আসেনি।’ তবে এও জানা গেলো, সিনেমার জন্য পড়াশোনার পথে বেশ খানিকটা ভাঁটা পড়লেও এমবিবিএস পড়া থামিয়ে দেননি মানুসি। শিগগিরই আবার ডিগ্রির জন্য উঠেপড়ে লাগবেন। ‘আমি এমন এক পরিবারের মেয়ে, যেখানে সবাই চায় পড়াশোনা শেষে ডাক্তার বা আইনজীবী হই। সেখানে আপনি অভিনয়কে ক্যারিয়ার বানানোর কথা ভাবতেই পারবেন না। আমার দুনিয়াটা তাই ছোটই ছিল।’ মানুসি আরও বললেন, ‘তবে মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার পর আমার সম্ভাবনার পরিসরটা বাড়তে থাকে। গত পাঁচ বছর ধরেই বদলে চলেছে সব।’

‘পৃথ্বীরাজ’ ছবির সংযোগিতা চরিত্রের জন্য কতটা খাটতে হয়েছিল- এমন প্রশ্নে মানুসি জানালেন, ‘সংযোগিতার জুতোয় পা রাখতে রীতিমতো বুট ক্যাম্পে যেতে হয়েছিল। আট-নয় মাস টানা ট্রেনিং নিতে হয়েছিল। একদিনও বাদ যায়নি। আমাকে তো একদম গোড়া থেকে শুরু করতে হয়েছিল। কীভাবে চিত্রনাট্য পড়তে হয় সেটাও শিখতে হয়েছে। পরিচালক চন্দ্রপ্রকাশ দ্বিবেদির সঙ্গে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে সময় কাটাতে হয়েছিল। তিনি আমাকে চরিত্রটা বুঝিয়েছেন। ছোটবেলায় ক্লাসিক্যাল নাচ শিখলেও সেটা ভুলতে বসেছিলাম। সেই সঙ্গে এবার সেমি-ক্লাসিক্যাল ও কত্থকও শিখতে হলো। তবে এত এত প্রস্তুতির পর একটা পর্যায়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোটা জলের মতোই সহজ হয়ে আসে।’ সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া