টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে তাইজুলের অগ্রগতি

6

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দল হেরেছে বাজেভাবে। তবে দ্বিতীয় টেস্টে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন তাইজুল ইসলাম। এর প্রতিফলন পড়েছে তার র‌্যাঙ্কিংয়ে। আইসিসি টেস্ট বোলারদের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার। গত সপ্তাহের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে গত মঙ্গলবার ছেলেদের র‌্যাঙ্কিংয়ের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রকাশ করে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ে তাইজুলই সবার ওপরে। ৬৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি এখন আছেন ২২তম স্থানে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টেস্টের এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন তাইজুল। পোর্ট এলিজাবেথে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৩৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন তিনি। দেশের বাইরে যা তার সেরা বোলিং। দ্বিতীয় ইনিংসে ধরেন তিন শিকার। ৩৩২ রানে হারা ওই টেস্টে বল হাতে আলো ছড়িয়ে উন্নতি করেছেন খালেদ আহমেদও। দুই ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের এই পেসার ২২ ধাপ এগিয়ে ঢুকেছেন সেরা একশতে। যৌথভাবে জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্লের সঙ্গে আছেন ৯৮তম স্থানে। অবনতি হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের।

দুই ইনিংসে ৩ উইকেট নেওয়া এই অফ স্পিনার তিন ধাপ পিছিয়ে এখন ৩৪ নম্বরে। ৬ ধাপ নিচে নেমে ইবাদত হোসেন ৮৫তম স্থানে। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশকে ৮০ রানে গুটিয়ে দেওয়ার কারিগর কেশভ মহারাজের অগ্রগতি ৭ ধাপ। দ্বিতীয় ভাগে ৪০ রানে ৭ উইকেট নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি স্পিনার আছেন ২১তম স্থানে। এই সিরিজ দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ফেরা সাইমন হার্মার দিয়েছেন বড় লাফ। দুই ইনিংসেই তিনটি করে উইকেট নেওয়া এই অফ স্পিনার ২৬ ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ৫৪ নম্বরে। টেস্ট বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে আগের মতোই সবার ওপরে অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স। পরের চার স্থানে যথাক্রমে ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন, জাসপ্রিত বুমরাহ, পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি ও নিউ জিল্যান্ডের কাইল জেমিসন। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ে সবার ওপরে থাকা লিটন কুমার দাস তিন ধাপ পিছিয়ে এখন ২০তম স্থানে। এক ধাপ নিচে নেমে মুশফিকুর রহিম ২৯ নম্বরে ও তামিম ইকবাল দুই ধাপ নেমে আছেন ৩৫ নম্বরে। বড় অবনতি হয়েছে অধিনায়ক মুমিনুল হকের। ছয় ধাপ পিছিয়ে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজার সঙ্গে যৌথভাবে তার অবস্থান ৫০তম স্থানে। দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৬৭ ও ৩০ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার টেম্বা বাভুমা এক ধাপ উন্নতি করে এখন ২২ নম্বরে। ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে যথারীতি শীর্ষে অস্ট্রেলিয়ার মার্নাস লাবুশেন। তার সতীর্থ স্টিভেন স্মিথ আছেন দুইয়ে, তিনে নিউ জিল্যান্ডের কেন উইলিয়াসন। পরের দুই স্থানে যথাক্রমে ইংল্যান্ডের জো রুট ও পাকিস্তানের বাবর আজম। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮৪ রান করা মহারাজ অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে উঠে এসেছেন ১৩ নম্বরে। এই তালিকায় আগের মতোই সবার ওপরে ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা।
টি-টোয়েন্টি
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে ২ উইকেট নিয়ে এই সংস্করণের বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে ঢুকেছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। চার ধাপ এগিয়ে পাকিস্তানের পেসার এখন ঠিক ১০ নম্বরে। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে আগের মতোই শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার তাবরাইজ শামসি। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই ম্যাচে না খেলা জশ হেইজেলউড এক ধাপ নিচে নেমে এখন তিন নম্বরে। দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের লেগ স্পিনার আদিল রশিদ। যা তার ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ। ব্যাটসম্যানদের তালিকায় যথারীতি সবার ওপরে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর। দুই থেকে তিনে নেমে গেছেন তার সতীর্থ মোহাম্মদ রিজওয়ান। এখন দুইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মারক্রাম। অলরাউন্ডারদের তালিকায় আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি এক নম্বরে। দুইয়ে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।