জেলায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময়

18

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আসন্ন ঈদুল আযহা উদ্যাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান।
জেলায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উদ্যাপন ও পশু কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় পর্যায়ে চামড়া সংরক্ষণ ও জেলা শহরের ঈদ জামাতের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় জানানো হয়- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে সকাল ৭ টায় এবং ফকিরপাড়া ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের জামায়াত হবে। অন্যান্য ঈদগাহে সংশ্লিষ্ট ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি সময় নির্ধারণ করবে। ঈদের নামাজে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, নিজস্ব জায়নামাজ সঙ্গে নেওয়ার কথাও আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন- যারা এতিম বা যারা চামড়ার হকদার তারা যেন বঞ্চিত না হয় সেজন্য চামড়ার যতœ নিতে হবে। পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে প্রয়োজনীয় লবণ ও পলিথিন মজুত রাখতে হবে। এতিমদের হকটাকে আমরা যেন জীবিত রাখতে পারি সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
কেউ যেন লবণ নিয়ে কারসাজি করতে না পারে সেদিকে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে নজর রাখতে হবে। চামড়া নিয়ে তৃতীয় পক্ষ যেন কোনো কারসাজি করতে না পারে সেদিকেও নজর থাকতে হবে। যেহেতু এখানে কোনো ট্যানারি নেই তাই যে কয়েকদিন চামড়া রাখা যায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা প্রশাসক বলেন- পরিবেশ যেন দূষিত না হয় সে জন্য রাস্তার ওপর কোরবানির পশু জবাই করা যাবে না এবং বর্জ্য দ্রুত সময়ের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে হবে।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মোস্তাফিজুর রহমান জেলার কোরবানির চাহিদা ও কোরবানির পশু উৎপাদনের তথ্য উপস্থাপন করেন। ৫৯ বিজিবি সুবেদার আশরাফ আলী সভায় জানান, এবার চোরাচালানের মাধ্যমে কোনো গরু আসছে না। চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সজাগ রয়েছে বলে তিনি জানান।
মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকিউল ইসলাম। সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর ররিশদ, ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাব্বুল হোসেন, শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত জাহান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১, সালেহ উদ্দিন, চেম্বারের পরিচালক শহিদুল ইসলামসহ জেলা ইসলামি ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, বিভিন্ন ঈদগাহ কমিটির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।