দৈনিক গৌড় বাংলা

মঙ্গলবার, ২৫শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

জাতীয় দল থেকে সমাপ্তির পথে সফলতম গোল স্কোরার

ক্লাব ফুটবলে সম্প্রতি নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন অলিভিয়ে জিরু। তবে জাতীয় দলে তিনি দেখছেন পথের সমাপ্তি। এবারের ইউরো দিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেবেন ৩৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ফ্রান্সের হয়ে প্রায় ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে ১৩১টি ম্যাচ খেলেছেন জিরু। গোল করেছেন ৫৭টি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোল স্কোরার তিনিই। ইউরোপিয়ান ফুটবলের দীর্ঘ পাট চুকিয়ে সম্প্রতি এসি মিলান ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে পাড়ি জমিয়েছেন জিরু। ক্লাব ফুটবলে এখনও বছর দুয়েক খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন বলেই বিশ্বাস তার। কিন্তু জাতীয় দলে আর থাকতে চান না, জানিয়েছেন তিনি ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লেকিপকে। “সত্যি বলতে, ফ্রান্সের হয়ে আমার শেষ টুর্নামেন্ট হবে এটিই। অবশ্যই অনেক মিস করব আমিৃ তবে ইউরোর পর ফ্রান্সদলে আমার পালা শেষ। তরুণদের জন্য পথ তৈরি করে দিতে হবে আমাদের। বাড়তি একটি মৌসুম যেন নিজেকে টেনে না নেই, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে। সঠিক সমন্বয়টা করতে হবে।” “সবসময়ই বলে এসেছি, নিজের শরীর যখন বলবে, তখনই অবসর নেব। আমার ধারণা, এখনও অন্তত দুই বছর ভালোভাবেই খেলতে পারব। তবে ফ্রান্স দলে আমার শেষ এই আসর দিয়েই।” ফ্রান্সের ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী দলের অংশ ছিলেন তিনি। তবে ইউরো জয়ের স্বাদ এখনও পাননি। ফ্রান্স মহাদেশের সেরা সবশেষ হয়েছে সেই ২০০০ সালে। ক্লাব ফুটবলে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইউরোপা লিগ জিতেছেন চেলসির হয়ে, ইংলিশ ফুটবলে জিতেছেন আরও বেশ কিছু শিরোপা, সেরি আ জিতেছেন এসি মিলানের হয়ে, মোঁপিলিয়ের হয়ে জিতেছেন ফরাসি লিগ। তবে আর্সেনাল ও চেলসি মিলিয়ে ৯ বছর খেলেও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিততে পারেননি তিনি। শেষ বেলায় তার চাওয়া, ইউরো জিতে পূর্ণতার স্বাদ পাওয়া। ব্যক্তিগত একটি লক্ষ্যও তার আছে। “এই প্রজন্মের ফুটবলারকে সঙ্গী করে এই টুর্নামেন্টে যত দূর যাওয়া সম্ভব, ততটা যাওয়ার ইচ্ছে তো আছেই। এটাই আমাকে তাড়না জোগায়।” “প্রিমিয়ার লিগ জেতাটা খুবই কঠিন। ইউরো জিততে পারলে বলতে পারবৃ সবকিছুই জিতেছি। এ ছাড়া ৬০ গোলের মাইলফলক নিয়ে অনেক আলোচনাও শুনেছি। সবগুলোইচেষ্টা করব। তবে এমন নয় যে, এসব করতে মরিয়া হয়ে আছি।” গত ইউরোতে শেষ ষোলো থেকেই সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল ফ্রান্স। এবার তাদের গ্রুপ প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস ও পোল্যান্ড।

About The Author