জমি খারিজে ১১৭০ টাকার বেশি একটি পায়সাও লাগে না রশিদ ছাড়া কাউকে একটি টাকাও দিবেন না

68

chapainawabganj-pic-29-10-16-abdur-rob-nahidজমি খারিজে ১১৭০ টাকার বেশি একটি পায়সাও লাগে না, সেই সাথে রশিদ ছাড়া কাউকে একটি টাকাও দিবেন না, আপনার কাছে যে টাকা নেয়া হচ্ছে সবসময় তার চায়বেন। শনিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) আয়োজিত তথ্য মেলার শেষ দিনে ভূমি খাতে সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ভূমি বিষয়ক গণশুনানি’তে জনসাধারনের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফরসহ গণশুনানীতে উপস্থিত থাকা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
গণশুনানীর শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তৌফিকুল ইসলাম। পরে অনুষ্ঠান স্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ লিখিত আকারে ও সরাসরি প্রশ্ন করে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
সোহরাব নামে একজন জমি খারিজে ৫-৬ হাজার টাকা দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন। এই সময় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বলেন, আমি আগেও বলেছি, ১১৭০ টাকার বেশি খারিজে টাকা লাগে না, আর আপনারা রশিদ ছাড়া লেনদেন থেকে বিরত থাকলেই অনেকাংশেই এসব দূর হয়ে যাবে। এই সময় তিনি বলেন আপনি যদি কাউকে ভালোবেসে টাকা দিয়ে আসেন তবে আমাদের কী করার আছে। খারিজ করার জন্য নির্ধারিত ৪৫ দিন সময় লাগে। কিন্তু তাতে ঘুষ-দুর্নীতির সুযোগ তৈরী হয়, তাই সদ্য প্রয়াত জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম চেয়েছিলেন ৭দিনের মধ্যে খারিজ সম্পন্ন করতে। সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সনাকের সভাপতি সেলিনা বেগমের সভাপতিত্বে গণশুনানী অনুষ্ঠানে মানুষের ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফতেখার উদ্দিন শামীম, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিমুল আকতার, শিবগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কল্যাণ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক উমা চৌধুরী।
শনিবার রাতে আলোচনা,পুরস্কার বিতরনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তিন দিনের এই আয়োজন। মেলা সমাপনীতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আবু জাফর। চাঁপাইনবাবগঞ্জে সনাকের সভাপতি সেলিনা বেগমের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তৌফিকুল ইসলাম। তিন দিনের এই মেলায় প্রতিদিনই ছিল ছিলো সচেতনা মূলক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও আলোচনা অনুষ্ঠান।