চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের এ্যানেস্থেসিয়া বিভাগ সাত দিনের মধ্যেই চিকিৎসক দেয়া হবে

138

0-102রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. আশিষ কুমার সাহা জানিয়েছেন আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে এ্যানেস্থেসিয়া বিভাগে একজন চিকিৎসক দেয়া হবে এবং রাতে ইনডোরে চিকিৎসকদের টহলের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া নাক,কান ও গলা এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিসক দেয়ার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান। গতকাল সোমবার দুপুরে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দকে তিনি এ কথা জানান। তাঁর আগমনের খবর পেয়ে নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ সদর হাসপাতালে তাঁর সাথে স্বাক্ষত করে এনেস্থেসিয়া, হৃদরোগ, নাক, কান গলা, বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চাঁপাইনবাবগঞ্জ হাসপাতালে দেয়ার জন্য পরিচালক (স্বাস্থ্য) আশিষ কুমার সাহার কাছে দাবি জানান। এ ছাড়াও হাসপাতালে সময়মত উপস্থিত হয়ে চিকিৎসকদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা, কোন কোন চিকিৎসকের অনুপস্থিত থাকা, পানি সমস্যা, আউটডোর ছাড়া দুপুরের পর হাসপাতালে কোন চিকিৎসক না থাকা, হাসপাতালে দায়িত্ব পালন না করে পার্শ্ববর্তী বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া, একজনের স্থলে ২ জন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) থাকাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। জবাবে আশিষ কুমার সাহা জানান, বিষয় গুলো আমি নোট করে নিলাম, আমি খতিয়ে দেখবো। তিনি বলেন-একটি হাসপাতালে ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকার পরও এ্যানেস্থেসিয়ার জন্য চিকিৎসক না থাকায় অপারেশন করা কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে। তাই জরুরী ভিত্তিতে এই পদে লোক দেয়া হবে। এ সময় সিভিল সার্জ ডা. প্রধান আবুল কালাম আজাদ, ডা. আয়োশা জুলেখা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, ৫০ শয্যার জনবল দিয়ে ১শ’ শয্যার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ফলে কাঙ্খিত সেবা দেয়া যাচ্ছে না। তার পরও চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ সময় নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ আবারও কোন চিকিৎসক অনুপস্থিত আছে কি না জানতে চায়লে সিভিল সার্জন জানান, ডা. তৌফিকুল ইসলাম হাজিরা খাতায় সই করেন নি এবং তিনি অনুপস্থিত আছেন।
নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ আহমেদ হোসেন বাদশা, মনিরুজ্জামান মনির, আজাহারুল ইসলাম পিন্টু, কামাল উদ্দিনসহ অন্যরা।