চাঁপাইনবাবগঞ্জে সবজিবাজারে স্বস্তি অস্বস্তি মুদিবাজারে

24

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সবজি বাজারে স্বস্তি ফিরলেও চাল, আটা ও সয়াবিন তেলের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। তবে গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় কাঁচামরিচের ঝাঁজ কিছুটা কমে এসেছে।
জেলা শহরের অভিজাত মার্কেটের (নিউ মার্কেট) মুদি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, জাতীয়ভাবে বৃদ্ধির ফলে সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৭ থেকে টাকা বেড়েছে। সেই সাথে কেজি প্রতি ২ টাকা বেড়েছে চিনির দাম, আতপ চালের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। প্রতি কেজি আতপ চাল বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা। মোটা চালের মধ্যে সাদা স্বর্না ৪৮-৫০ টাকা, লাল স্বর্না ৫০-৫২ টাকা, আটাশ চাল ৬০ টাকা, জিরাসাইল ও মিনিকেট ৬৬-৭০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে প্যাকেটজাত গমের আটার দাম। বতর্মানে ১ কেজি ওজনের প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। মাছবাজারে দেখা গেছে, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছের আমদানি কম হচ্ছে এবং চাহিদা বেশি থাকায় ছোট বড় সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি। অন্যদিকে কেজিপ্রতি প্যারেন্টস মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমেছে এবং অন্যান্য মুরগির দাম আগের সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, সবজি বাজারে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে। সবজি বিক্রেতা আব্দুর রশিদ জানান, বাড়তে থাকা কাঁচামরিচের দাম ১২০ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া অন্যান্য সবজির মধ্যে ঢেঁড়শ, পটোল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা প্রতি কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ৪০ টাকা পর্যন্ত ছিল। বেগুনের দাম ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা করে এবং লাউ, কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা প্রতি পিস।
এদিকে, মাংসবাজারে গরু এবং খাসির মাংসের দাম স্থিতিশীল থাকলেও কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমেছে প্যারেন্টস মুরগির দাম। এছাড়া সব ধরনের মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার ১৭০ টাকা কেজি, লেয়ার ২৫০ টাকা এবং দেশী মুরগি ৩৫০-৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুরগি বিক্রেতা রুবেল। গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৬০০-৬৫০ এবং খাসির মাংস ৮০০-৮৫০ টাকা প্রতি কেজি।
এছাড়াও মাছবাজারে দেখা গেছে, ছোট-বড় প্রায় সব মাছের দাম ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি। ১ কেজি ওজনের ইলিশ ১৬০০ টাকা, রুই ২৪০ টাকা, দেশী শিং ৭০০ টাকা, বাচা মাছ ৮০০ টাকা, চাষের চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
প্রায় প্রতি সপ্তাহে ইলিশ মাছের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে মাছ ব্যাবসায়ীরা বলছেন, আবহাওয়াজনিত কারণে এবং নদীর মাছ আমদানি কম থাকায় প্রায় সব ধরনের মাছের দাম বাড়তির দিকে।