চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

186

chapainawabganj-paloচাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিকেল চারটায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মিলিত হয়। বন্ধুসভার সভাপতি খাইরুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, বালুগ্রাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও শিক্ষক নেতা সাইদুর রহমান, শিক্ষক ও সাহিত্যিক আজিজুর রহমান, চরমোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রগতিশীল নারীদের সংগঠন জাগো নারী বহ্নিশিখার আহ্বায়ক ফারুকা বেগম, সদস্য সচিব মনোয়ারা খাতুন, ছাত্রনেতা আব্দুল মজিদ, বন্ধুসভার সহসভাপতি আলী উজ্জামান নূর, যুগ্ন সম্পাদক সোনিয়া খাতুন প্রমূখ। কবিতা আবৃত্তি করেন বন্ধুসভার নারী বিষয়ক সম্পাদক মারিয়া হাসান বর্ষা, সদস্য ফারাহ দিবা। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন শাহনিনা প্রামাণিক। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন বন্ধুসভার অনুষ্ঠান সম্পাদক শাহজাহান প্রামাণিক, শাহনিনা প্রামাণিক, প্রকাশ বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন তরুণ বন্ধু বিজন ঘোষ ও ফারাহ দিবা। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ বলেন, কোন বাধায় তারুণ্যকে আটকাতে পারবে না। প্রথম আলো তারুণ্যনির্ভর একটি পত্রিকা। অনেক ঝড়-ঝঞ্জার মধ্যে পড়েও প্রথম আলোর সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করে চলেছে। এখানকার প্রতিনিধিকেও দেখেছি, সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি একাধিকবার হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। হাজতও খেটেছেন। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি।
আজিজুর রহমান বলেন, আগে আমি অন্য পত্রিকার পাঠক ছিলাম। আমার মেয়ে আমাকে প্রথম আলোর পড়শোনা পাতার জন্য এ পত্রিকা কিনতে বলে। প্রথমদিন থেকেই আমি প্রথম আলোকে ভালবেসে ফেলেছি। প্রথম আলোর প্রেমে পড়েই আছি। জানি, দুর্জয় তারুণ্য দিয়ে দুর্গম পথ অতিক্রম করবে প্রথম আলো।
আব্দুল মজিদ বলেন, বন্ধুসভার সদস্যরা যেসব সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে তা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আছে ছাত্র সংগঠনগুলোর।