চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণসংযোগে ব্যস্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা

53

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা গসংযোগ, পথসভায় ব্যস্ত দিন পার করছেন। দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি। প্রার্থীদের কর্মীরা পোস্টার আর প্রচারপত্র বিলিতে কর্মব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী মো. আব্দুল ওদুদ বুধবার সকালে জেলা শহরের কাঁচাবাজার শহরের হুজরাপুর, মাছ বাজার, নিউমার্কেট সবজি বাজার, হাসপাতাল রোড, কাঁচাবাজারে নির্বাচনী প্রচারণা চালান।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম শাহনেওয়াজ অপু, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইজার রহমান কনকসহ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় আব্দুল ওদুদ তার আমলে সদর উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন এবং নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান। পরে তিনি সদর উপজেলার চরঅনুপনগরে গণসংযোগ করেন।
এদিকে বুধবার সকাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম’র নোঙর প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল মতিন সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় ও ভোট প্রার্থনা করেন। বিকেলেও তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুরে ভোটারদের কাছে যান এবং তাদেরকে নোঙর প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জনগণ তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিবেন, তিনি জয়ী হলে এ উপজেলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট, গোমস্তাপুর নাচোল) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহা. গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস ঈগল প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ করেছেন। বুধবার ভোলাহাটে উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মোড়, বাড়ি বাড়ি বাজারে গণসংযোগ করেন তিনি।
গণসংযোগকালে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা, আমার ভোট আমি দিব, যাকে খুশি তাকে দিব। ভোটারদের বলছি, আপনারা আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন। আমি ৫ বছর এমপি ছিলাম। আমি যদি ভালো কাজ করে থাকি, তবে আমাকে ভোট দিবেন।
গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস আরো বলেন, দশম জাতীয় সংসদ সদস্য থাকাকালীন আমি জনগণের জন্য কাজ করেছি। ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী হওয়ার সুযোগ চান তিনি।
এসময় জামবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি পিয়ারুল ইসলামসহ বেশ কিছু আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থক ও ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।