চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁচ উপজেলার ভূমি অফিস মঞ্জুরিকৃত পদ ২৯৯ কর্মরত ১৫৭

27

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগের তুলনায় ভূমি অফিসগুলোয় সেবার মান বেড়েছে। তবে জনবল সংকটের কারণে কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনসাধারণ। মঞ্জুরিকৃত পদের বিপরীতে প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী না থাকায় সেবা দিতেও হিমসিম খাচ্ছেন ভূমি অফিসগুলোর সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী। জেলার তিন উপজেলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার- ভূমি) পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখার পরিসংখ্যান মতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পাঁচ উপজেলার ভূমি অফিসে অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ২৯৯ জন। কিন্তু এর বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১৫৭ জন। ১৪২টি পদ শূন্য থাকায় অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক জনবল দিয়েই চলছে কার্যক্রম। প্রতিটি উপজেলায় একজন করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও শুধুমাত্র সদর ও শিবগঞ্জে কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। অন্য তিনটি উপজেলায় এ পদে কোনো কর্মকর্তা না থাকায় অতিরিক্ত হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অথবা অন্য কোনো অফিসার দিয়ে কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।
জানা যায়, জেলার ৪৭টি ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসে তহসিলদার ও সহকারী তহসিলদারের ৪৭টি মঞ্জুরিকৃত পদ থাকলেও তহসিলদার কর্মরত রয়েছেন ২৬ জন, শূন্য রয়েছে ২১টি পদ ও সহকারী তহসিলদারে ৩২ জন কর্মরত রয়েছেন, শূন্য রয়েছে ২১টি পদ।
এদিকে জেলার সদর উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে কর্মকর্তা থাকলেও কানুনগোসহ বেশ কয়েকটি পদ শূন্য থাকায় কার্যক্রম চলছে ধীর গতিতে। এ অফিসে মঞ্জুরিকৃত পদ ১৭টি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাশরুবা ফেরদৌস বলেন- শূন্য পদগুলো পূরণের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জনবল চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, জনবল কম থাকার পরও থেমে নেই কার্যক্রম। আগের তুলনায় এখন অল্প সময়ের মধ্যে জমির কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে। জমির কাগজপত্র ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। ভূমি অফিসগুলোয় জনবল বৃদ্ধি করা গেলে সকল কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি পাবে, কাক্সিক্ষত সময়ে সেবা পাবে জনসাধারণ, পাশাপাশি বৃদ্ধি পাবে সরকারের রাজস্ব।