চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে জামানত হারাচ্ছেন ১১ প্রার্থী

23

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে নির্বাচিত তিন প্রার্থীসহ নিকটতম দুজন তাদের জামানত ফেরত পেলেও জামানত হারাচ্ছেন ১১ জন প্রার্থী।
জেলা নির্বাচন অফিসার মো. নজরুল ইসলাম জানান, একটি আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট পেলেই কেবল জামানত ফেরত পাওয়া যায়।
যারা ফেরত পাবেন তারা হলেনÑ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত মু. জিয়াউর রহমান ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত মো. আব্দুল ওদুদ।
অন্যদিকে যারা জামানত হারাচ্ছেন তারা হলেনÑ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসন থেকে কেতলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী। এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৩টি। জামানত ফেরত পোতে হলে প্রার্থীকে ভোট লাগবে ৮ ভাগের ১ ভাগ হিসেবে ২৩ হাজার ৫৬ ভোট। কিন্তু গোলাম রাব্বানী পেয়েছেন ২২ হাজার ১২৪ ভোট। অন্যদিকে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী অধ্যাপক আফজাল হোসেন পেয়েছেন মাত্র ৭৬৬ ভোট, টেলিভিশন প্রতীকে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ’র প্রার্থী নুরুল ইসলাম জেন্টু ২ হাজার ৯৩৯ ভোট, মোমবাতি প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট’র প্রার্থী নবাব মো. শামসুল হোদা পেয়েছেন ৭৫৪ ভোট এবং আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি’র আব্দুল হালিম পেয়েছেন ৫৩০ ভোট পেয়েছেন। ফলে তারাও জামানত হারাচ্ছেন।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর- ভোলাহাট) আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা হচ্ছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৫৭। জামানত ফেরত পেতে ভোটের প্রয়োজন ছিল ৮ ভাগের ১ ভাগ হিসেবে ২৩ হাজার ৩৫৭ ভোট। কিন্তু কাক্সিক্ষত ভোট না পাওয়ায় টেলিভিশন প্রতীকের বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী আজিজুর রহমান (প্রাপ্ত ভোট ৩৩২), লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির পার্থী মো. আব্দুর রশিদ (প্রাপ্ত ভোট ২১০৬) এবং ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন (প্রাপ্ত ভোট ৯০৭) জামানত হারাচ্ছেন।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জামানত হারাতে হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলন-বিএনএম মনোনীত নোঙর প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল মতিনকে। এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৪ হাজার ৬২৮টি। কাক্সিক্ষত ভোট না পাওয়ায় তাকে জামানত হারাতে হচ্ছে। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৪৩ ভোট। এছাড়া এই আসনে টেলিভিশন প্রতীকে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান খান (প্রাপ্ত ভোট ৮৪১) এবং আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপির প্রার্থী মো. নাহিদ আহম্মেদকেও (প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৪০) জামানত হারাতে হচ্ছে। এই তিন প্রার্থীকে ৮ ভাগের ১ ভাগ পেতে ১২ হাজার ৭৫৩ ভোট প্রয়োজন ছিল।