চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকে শীতের পূর্বাভাস

11

আপাতত কিছুদিন তাপমাত্রা কমা-বাড়ার মধ্যেই যাবে। তবে চলতি নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা টানা কমে দেশজুড়ে শীত নামতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। দেশে এখন রাতের তাপমাত্রা অর্থাৎ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রাও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া আধিদপ্তর।
গত মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটের শ্রীমঙ্গলে ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়ায় এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বুধবার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একদিন আগে যা ছিল ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তবে গত মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল কক্সবাজারে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এর আগের দিন চট্টগ্রামে একই তাপমাত্রা ছিল।
আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হামিদ বলেন, আপাতত তাপমাত্রার মেজর কোনো পরিবর্তন হবে না। সামান্য বাড়বে, বেড়ে আবার কমবে। এভাবেই চলবে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যে লঘুচাপটি ছিল সেটি এখন অনেক দূরে শ্রীলঙ্কার দিকে। সেটার কোনো প্রভাব আর আমাদের এখানে পড়ছে না। এখন সিজনাল স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। বর্তমানে মেজর কোনো সিস্টেম আমাদের এখানে নেই, স্বাভাবিকই আছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমবে। তখনই শীত অনুভূত হবে। সেসময় ভোরের দিকে নদীতে ও উত্তরাঞ্চলে কুয়াশা থাকবে।
আব্দুল হামিদ বলেন, ওয়েস্টারলি জেট স্ট্রিম (সাইবেরিয়া থেকে আসা হিম শীতল বাতাস) মূলত আমাদের দেশে শীত নামায়। সেটা এখনো আসেনি। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের পর এই বাতাস আসতে শুরু করবে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এটা ৫/৭ দিন আগে পরে হতে পারে। তবে এই ব্যবধানটাকে আমরা স্বাভাবিক হিসেবেই ধরি।
গতকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে অস্থায়ীভাবে আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এ সময়ে রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।