চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশকদের নির্বাচন স্থগিত

6

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচনের ভোট হওয়ার কথা ছিল গতকাল শনিবার। কিন্তু নির্বাচনটি স্থগিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এবারের নির্বাচনে সেলিম খান-ডিপজল এবং মুশফিকুর রহমান গুলজার-কামাল মো. কিবরিয়া লিপু- এই দুটি সমমনা প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনে লড়তে দুই সমমনা প্যানেলের ৪৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে চার জনের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। বাতিল শেষে এখন বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪০। পূর্বের মতো এবারেও সবাই কার্যনির্বাহী সদস্য পদে লড়বেন। বিজয়ীরা আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করবেন। এদিকে নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী, ২০১১ সালে হওয়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক এক ব্যক্তির মালিকানায় যতগুলো প্রতিষ্ঠানই থাকুক না কেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে আলাদা টিআইএন না থাকলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির ভোটাধিকার থাকবে না। কিন্তু এবার নির্বাচন প্রার্থী সেলিম খানের টিআইএন দিয়ে একাধিক ভোটারের নাম পাওয়া গেছে।

এ বিষয়টি নিয়ে আদালতে রিট করেন প্রযোজক মোহম্মদ হোসেন। এর বাদি খোরশেদ আলম খসরু। সেই রিটের প্রেক্ষিতেই নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নেতা খোরশেদ আলম খসরু এ প্রসঙ্গে জানান, ‘২০১১ সালে হওয়া সিদ্ধান্ত মোতাবেক একজন ব্যক্তির মালিকানায় যতগুলো প্রতিষ্ঠানই থাকুক না কেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে আলাদা টিআইএন না থাকলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির ভোটাধিকার থাকবে না। কিন্তু এবার দেখা গেছে এক টিআইএন এর আওয়তায় অনেকে ভোটার হয়েছেন। এটা তো অন্যায়। তাই অভিযুক্তদের ভোটাধিকার বাতিল করে নতুন ভোটার তালিকা প্রণয়ণ করা হবে। তারপর নির্বাচন করতে নির্দেশ দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট। আমরা সেই নির্দেশ মানছি।’ তিনি জানান, নির্বাচন এখন স্থগিত করা হলেও আগামী সাত দিনের মধ্যে তা অনুষ্ঠিত হবে বলে আদালতের নির্দেশ রয়েছে।