গ্র্যান্ডহোমের লড়াকু সেঞ্চুরির পরও পিছিয়ে নিউজিল্যান্ড

4

৯১ রানে নেই ৫ উইকেট। সেখান থেকে দলের হাল ধরলেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম আর ড্যারেল মিচেল। দ্বিতীয় দিনে জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফেরানো এই যুগল তৃতীয় দিনেও দলকে অনেকটা সময় ভরসা দিলেন। অবশেষে ষষ্ঠ উইকেটে তাদের ১৩৩ রানের জুটিটি ভাঙেন কেশভ মহারাজ। ১৩৪ বলে ৮ বাউন্ডারিতে ৬০ রান করে মিচেল প্রোটিয়া স্পিনারের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম তবু একটা প্রান্ত ধরে লড়াই করে গেছেন। ৩৬ ছুঁইছুঁই বয়সে এসে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। তবে ১৫৮ বলে ১২ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় গড়া গ্র্যান্ডহোমের ১২০ রানের হার না মানা ইনিংসের পরও ২৯৩ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। কাগিসো রাবাদা (৫/৬০) আর মার্কো জানসেন (৪/৯৮) তৃতীয় দিনেও বল হাতে ভুগিয়েছেন স্বাগতিকদের। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৪০ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ইনিংসে তারা অলআউট হয়েছিল ৩৬৪ রানে। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে সফরকারিদের লিড এখন ২১১ রানের। নিউজিল্যান্ড অবশ্য লড়াইয়ে ফেরার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। টপঅর্ডারের পাঁচ ব্যাটারের কাউকে ফিফটি করতে দেননি কিউই বোলাররা। রসি ভ্যান ডার ডাসেন আউট হন ৪৫ রানে। টেম্বা বাভুমা ২৩, এইডেন মার্করাম ১৪ আর ডিন এলগার ফিরেছেন ১৩ করে। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান সারেল এরউই এবার শুরুতেই সাজঘরের পথ ধরেন ব্যক্তিগত ৮ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (তৃতীয় দিন শেষে)-
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস- ৩৬৪/১০ (১৩৩ ওভার) (সারেল ১০৮, মার্করাম ৪২, এলগার ৪১; ওয়াগনার ৪/১০২, হেনরি ৩/৯০)।
নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস- ২৯৩/১০ (৮০ ওভার) (গ্র্যান্ডহোম ১২০*, মিচেল ৬০; রাবাদা ৫/৬০, জানসেন ৪/৯৮)।
দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংস- ১৪০/৫ (৫৩ ওভার) (ডাসেন ৪৫; সাউদি ২/২৮, ওয়াগনার ২/৪৪)