গোমস্তাপুরে নৈশপ্রহরীকে বেঁধে রেখে ১১ দোকানে ডাকাতি

27

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা মোড় এলাকায় এগারটি দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার গভীর রাতে আড্ডা-সরাইগাছী আঞ্চলিক মহ সড়কেরর দেওপুরা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতির আগে ওই মোড়ের দুই নৈশ প্রহরীসহ আরো তিনজনকে আমবাগানের গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে ডাকাত দল। এ সময় তারা দোকানগুলোতে তালা কেটে নগদ টাকা, ওষুধ, চাল, কীটনাশক, গার্মেন্টস ও টেলিকম পণ্যসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর রবিবার জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ওই মোড়ের নৈশপ্রহরী গনেশ কর্মকার জানান, তিনি ও আরেক নৈশপ্রহরী সচিন দুজন একসঙ্গে ওই মোড়ের নৈশপ্রহরীর দায়িত্বে কাজ করে থাকেন। ওই দিন রাতেই দুজনেই দায়িত্বে ছিলেন। রাত ২টার পর কয়েকজন মুখোশধারী পেছন থেকে এসে তাদের চোখ বেঁধে আমবাগানে নিয়ে যায়। এছাড়াও ওই মোড়ে থাকা আরো তিনজনকে ধরে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। পরে দোকানের মালামাল পিকআপ করে নিয়ে চলে যায়।
কীটনাশক মালিক জাকারিয়া জানান, তার দোকানে অনেক দামি দামি কীটনাশক ছিল। শনিবার রাতে কে বা কারা তার দোকান থেকে এক থেকে দেড় লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
গার্মেন্টের দোকান মালিক মনির হোসেন জানান, রাতের ডাকাতির ঘটনায় তার দোকান থেকে ক্যাশবাক্স ভেঙে সাড়ে ৭ হাজার টাকা ও লক্ষাধিক টাকার পোশাক নিয়ে গেছে।
মানিক টেলিকমের মালিক বলেন, তার দোকানে কম্পিউটার প্রিন্টারসহ আরো অনেক মালামাল ছিল। তালা কেটে ডাকাতরা দোকান থেকে প্রায় এক লাখের উপরে মাল নিয়ে গেছে।
এ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ওই এলাকার কয়েকটি মার্কেটের দোকানগুলোতে ডাকাতির এ ঘটনা ঘটেছে। একটি ব্যস্ত সড়কে ডাকাতদলের এ দুঃসাহসিক কর্মকা- আমাদের বিস্মিত করেছে।
এ ব্যাপারে গোমস্তাপুর থানার ওসি আলমাস আলী সরকার জানান, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধারসহ এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।