গত অর্থবছরে নৌ মন্ত্রণালয়ের এডিপির অগ্রগতি ৯৫ ভাগ

7

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২০২০-২১ অর্থবছরে এডিপিভুক্ত ৪৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি শতকরা ৯৫ ভাগ। আর নিজস্ব অর্থায়নে ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি শতকরা ৬৩ ভাগ।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্বে বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সভাটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ৫৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এগুলোর মধ্যে এডিপিভুক্ত ৪৪টি এবং নিজস্ব অর্থায়নের ১০টি প্রকল্প। ৫৪টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে এডিপিভুক্ত ৯টি এবং নিজস্ব অর্থায়নের দুটি। ৫৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৮ ভাগ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে অগ্রগতি ছিল ৮৪.৭৩ ভাগ। ২০২১-২২ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ রযেছে ৪০১৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থ ২৮৮৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১১৩২ কোটি টাকা।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, সংস্থা প্রধানগণ এবং সংশ্লিষ্টরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বিশেষ করে চট্টগ্রাম, মংলা বন্দর ও স্থলবন্দরে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছে; অনেক কাজ হয়েছে। বেনাপোল ও চট্টগ্রাম বন্দরের ক্রাইসিস ফেস করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ নৌপথ সচল রেখে চেইন অব সাপ্লাই ধরে রেখেছিলাম। কোভিড-১৯কে মাথায় রেখেই প্রকল্পের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কৃচ্ছ্রতা সাধন নীতি অবলম্বন করতে হবে।
এডিপিভুক্ত ৪৪টি প্রকল্পের মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ১৯টি, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ৭টি, ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের ২টি, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের একটি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ২টি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ২টি, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের একটি এবং মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৮টি প্রকল্প রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ১০টি প্রকল্পের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ৫টি, বিআইডব্লিউটিসির ৩টি, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি এবং পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি প্রকল্প রয়েছে।