খালেদ মাহমুদ জাতীয় দলের স্থায়ী কোচ হতে চান

7

স্টিভ রোডস চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের কোচের পদ আপাতত শূন্য। আগেও অস্থায়ী ভিত্তিতে কোচের দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ এবার স্থায়ীভাবেই কোচের দায়িত্ব পালন করতে চান। বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার জন্য বাকি দায়িত্বগুলো বিসর্জন দিতে রাজি
স্টিভ রোডসের বিদায়ের পর শূন্য হয়ে পড়া দলের প্রধান কোচের জায়গাটা যে শ্রীলঙ্কা সফরের আগে পূরণ হচ্ছে না, এটি মোটামুটি নিশ্চিত। সংক্ষিপ্ত সময়ে প্রধান কোচ পাওয়া কঠিন বলেই নিদাহাস ট্রফির মতো এবারও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় যেতে পারে অন্তর্বর্তী কোচের ওপর ভরসা করে। কে হবেন অন্তর্বর্তী কোচ, সেটিও জানা যায়নি এখনো। অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে এবারও এসেছে খালেদ মাহমুদের নাম। তবে মাহমুদ জানালেন, অস্থায়ী ভিত্তিতে আর নয়, এবার স্থায়ীভাবেই কোচ হতে চান তিনি।
কোচ প্রসঙ্গে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বললেন, ‘২২ জুলাই বোর্ড সভায় আলোচনা হবে কোচ প্রসঙ্গে। তার আগে এটি নিয়ে কিছু বলার উপায় নেই।’ বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় রওনা দেবে ২০ জুলাই, সংক্ষিপ্ত সময়ে নতুন কোচ পাওয়া কঠিন বলে বোর্ড সভার আগেই মাশরাফিদের তাই রওনা দিতে হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ নিয়ে।খালেদ মাহমুদ চান লম্বা সময়ের জন্য বাংলাদেশের কোচ হতে। প্রথম আলো ফাইল ছবি
খালেদ মাহমুদ চান লম্বা সময়ের জন্য বাংলাদেশের কোচ হতে। প্রথম আলো ফাইল ছবি
অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে ২০১৮ সালে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দায়িত্ব পালন করেছিলেন মাহমুদ। সেই অভিজ্ঞতা সুখকর নয় বলে মাহমুদ এবার আর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দায়িত্বটা নিতে চান না, ‘আমাকে এমন কিছু বলেনি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে আমার কথা অনেকে বলছে। স্বল্প সময়ের জন্য আমার এ দায়িত্ব নেওয়া ইচ্ছে নেই। যদি লম্বা সময়ের জন্য দেয়, তাহলে অবশ্যই করব।’
লম্বা সময় বলতে আগামি ২০২৩ বিশ্বকাপ; সেটি না হলেও অন্তত আগামি ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বটা চান তিনি। খালেদ মাহমুদ লম্বা সময়ের কোচিংয়ের দায়িত্ব নিলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব চলে আসবে অবধারিতভাবে। স্বার্থের এ দ্বন্দ্ব এসেছিল ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কা সিরিজেও। মাহমুদ একই সঙ্গে বিসিবির পরিচালক, গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান, ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, ঘরোয়া ক্রিকেটের তিনটি দল ও একটি একাডেমির কোচ, ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সহসভাপতি এবং জাতীয় দলের ম্যানেজার।
মাহমুদ বললেন, লম্বা মেয়াদে যদি বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার প্রস্তাব তাঁর কাছে আসে, তাহলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব হয় এমন কোনো দায়িত্বে থাকবেন না, ‘লম্বা মেয়াদে কোচের দায়িত্ব পেলে আমার বোর্ডের পরিচালক হিসেবে থাকার কথা না। আমাকে একটাই বেছে নিতে হবে। এখন আসলে এসব নিয়ে কথা বলা কঠিন। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি হলে তখন এসব নিয়ে বিস্তারিত কথা বলা যায়।’