ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে বড় হার পাকিস্তানের

54

03ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে জয়ের পথে কালই অনেকটা পথ এগিয়ে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। আজ চতুর্থ দিনে যেন কেবল জয়ের আনুষ্ঠানিকতাটাই সারল তারা। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস ১৭১ রানে মুড়িয়ে দিয়ে ১০৫ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রাটা কিউইরা পেরিয়ে গেছে সহজেই। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসের ৬১ আর অভিষিক্ত জিৎ রাভালের ৩৬ রানে নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৮ উইকেটে। তৃতীয় দিনের খেলা পাকিস্তান শেষ করেছিল ব্যাটিং বিপর্যয় দিয়ে। প্রথম ইনিংসে ১৩৩ রানে অলআউট হওয়ার পর বোলাররা তাও যা একটু লড়াইয়ের ক্ষেত্র তৈরি করেছিলেন, সেটি শেষ দ্বিতীয় ইনিংস ব্যাটসম্যানদের আরও একটি ব্যর্থতাতেই। তৃতীয় দিন বিকেলে ১২৯ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসেছিল মিসবাহ-উল-হকের দল। আজ চতুর্থ দিন সকালে ১২৯ রানকে ১৭১ পর্যন্ত টেনে নিতে পারলেও লড়াইয়ের জন্য তা যথেষ্ট হয়নি। ১০৫ রান পেরিয়ে যেতে খুব কষ্টও করতে হয়নি নিউজিল্যান্ডকে। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের হয়ে সোহেল খানের ব্যাট থেকে এসেছে ৪০ রান। তাঁর ব্যাটিংয়ে ম্যাচটাকে কেবল দীর্ঘায়িতই করতে পেরেছে পাকিস্তান দল। ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি ও নিল ওয়াগনারÑ৩টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন এই তিন নিউজিল্যান্ড বোলার। টেস্টে ১০০ উইকেট হয়ে গেছে ওয়াগনারের। স্যার হ্যাডলির পর ওয়াগনারই নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে দ্রুততার সঙ্গে ১০০ উইকেটের মালিক হয়েছেন। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টটা মূলত অভিষিক্তদের কাছেই হেরেছে পাকিস্তান। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও জিৎ রাভাল। প্রথম ইনিংসে ৪১ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে গ্র্যান্ডহোম একাই ধসিয়ে দেন পাকিস্তানের ব্যাটিং। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে রাভালের ব্যাট থেকে আসে ৫৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংস। গ্র্যান্ডহোম পরের ইনিংস একটি উইকেট পেলেও রাভাল কিন্তু দলের জয়ের প্রয়োজনীয় ভূমিকা রেখেছেন। পাকিস্তানি ফাস্ট বোলারদের দারুণভাবে সামলে দলের জয়ে ভালো অবদান তাঁর। ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজের প্রথম টেস্টটা হেরেছিল পাকিস্তান। সাত সিরিজ পর এবারই প্রথম হার দিয়ে শুরু হলো পাকিস্তানের সিরিজ-মিশন। সূত্র: এএফপি।