দৈনিক গৌড় বাংলা

শনিবার, ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

কৃষ্ণচূড়ার বনে আগুন রূপে রুনা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী রুনা খান দেশের দুই পর্দায় সমান জনপ্রিয়। অসংখ্য নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সমানতালে ধরে রেখেছেন নিজের রূপ-লাবণ্য। সম্প্রতি ‘অসময়’ ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। গত মঙ্গলবার রুনা খান তার ফেসবুক পেজে কৃষ্ণচূড়া রঙে সেজে কিছু ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘কৃষ্ণচূড়ার বনে বনে আগুন লেগেছে।’ ভক্তরাও সেখানে তার রূপের প্রশংসা করেছেন। গ্রীষ্মের প্রকৃতি সেজেছে ফুলে ফুলে। ঠিক এই সময়ই রুনা নিজেকে জামদানি আর লাল টুকটুকে কৃষ্ণচূড়ার রঙে রাঙালেন। দিন যতই যাচ্ছে অভিনেত্রীর বয়সও যেন কমছে। ৪১ বছর বয়সে এসেও রূপের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন তিনি।

বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রীর একের পর এক সাহসী ছবি তাক লাগাচ্ছে ভক্তদের। বিটিভিতে প্রচারিত ছোটদের অনুষ্ঠান ‘সিসিমপুর’ রুনাকে নিয়ে গেছে খ্যাতির চূড়ায়। সন্তান জন্মের পর ওজন বেড়ে যায় তার। শুরু হয় রুনা খানের নতুন সংগ্রাম। ওজন কমানোর মিশনে নামেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। নিজেকে পছন্দনীয় করে তুলতে বহু কাঠখড়ও পোড়াতে হয় তাকে। বেশ সময় পর অবশেষে সফল হন রুনা। তবে ওজন কমানোর পর থেকে অভিনেত্রীকে নিয়ে শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। শুরু করেন বিভিন্ন ফটোশুট, যা অনেকের পছন্দ হয়নি। আর সেই সমালোচনা চলছে এখন পর্যন্ত। তবে সেসব কথা কানে তোলেননি রুনা। এত দিন সংবাদমাধ্যমে নেতিবাচক কথার উত্তর দিয়ে আসছিলেন অভিনেত্রী। তবে এখন তিনি সরব হয়েছেন নিজের ফেসবুক পেজে।

কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের পাঠানো শাড়ি-গয়না আর বিশেষ রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণপত্রের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, “সেদিন অ্যাওয়ার্ড শোতে সাংবাদিকেরা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘পাবলিকের নেতিবাচক কমেন্ট আপনার ওপর কোনো প্রতিক্রিয়া তৈরি করে কি না? উত্তর ছিল, ‘ভাই, আপনাদের একটা সত্যি কথা বলি, ৪০-এ এসে আমার নবজন্ম হয়েছে। আমি দেশি শাড়ি ভালোবাসি বলে তারা নিজেদের তৈরি জামদানি, মসলিন, মণিপুরি, সুতি, গয়না, ব্যাগ, টিপ ভালোবেসে আমাকে পাঠিয়েছেন। একেকটা ১২ হাতের শাড়িতে যে পরিমাণ ভালোবাসা আমার জন্য জড়ানো থাকে, তা ১২ কোটি কটূ মন্তব্যও ধুয়ে দিতে পারে!’ টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন রুনা খান। ‘হালদা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *