এসি মিলানকে হারিয়ে ইতালীয় কাপের ফাইনালে ইন্টার

6

লটারো মার্টিেেনেজর জোড়া গোলে মঙ্গলবার নগর প্রতিপক্ষ এসি মিলানকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ইতালীয় কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইন্টার মিলান। ফাইনালে জুভেন্টাস অথবা ফিওরেন্টিনার মোকাবেলা করবে সিমোন ইনজাগির শিষ্যরা। গতকালের সেমি ফাইনালের ফিরতি লেগটি ছিল দুই দলের জন্য প্রায় সমান সুযোগ। কিন্তু প্রথম লেগে গোল শুন্য ড্র করায় দ্বিতীয় লেগে সহজ জয় তুলে নেয় ইন্টার। জুভেন্টাস ও ফিওরেন্টিনার মধ্যকার দ্বিতীয় লেগের খেলা শেষে দুই লেগে এগিয়ে থাকা দলের বিপক্ষে আগামী ১১ মে এস্তাদিও অলিম্পিকোয় ফাইনাল খেলবে ইনজাগির দল। প্রথম লেগে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে জুভেন্টাস। খেলা শেষে ম্যাচ জয়ের নায়ক মার্টিনেজ বলেন, ‘আমরা আরেকটি ফাইনাল খেলতে যাচ্ছি, সুতরাং আমি খুশি। ইন্টারকে লিগ তালিকার শীর্ষে পৌঁঁছে দেয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আজ রাতে আমরা এর প্রমান আবারো দিতে পেরেছি। ভক্তরা খুশি, আমরাও খুশি।’ এদিকে ২০১১ সালে সিরি এ লিগের শিরোপা জয়ের পর বড় কোন শিরোপা জয় করতে পারেনি এসি মিলান। সিরি এ লিগের পয়েন্ট তালিকায় অবশ্য ইন্টারের চেয়ে ২ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে স্টেফানো পিউলির শিষ্যরা। যদিও বর্তমান চ্যাম্পিয়নদেরর হাতে রয়েছে অতিরিক্ত একটি ম্যাচ। চতুর্থ মিনিটেই গোল করে মঙ্গলবার স্বপ্নিল এক ম্যাচের সুচনা করে ইন্টার মিলান।

মাত্তেও ডার্মিয়ানের ক্রসের বল নিয়ন্ত্রনে নিয়ে ভলির সাহায্যে জালে জড়িয়ে দেন আর্জেন্টাইন তারকা মার্টিনেজ। এটি ছিল চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় তার ১৮তম গোল। ম্যাচের বয়স আধাঘন্টার কোটায় পৌঁছানোর মুহুর্তে অবশ্য বেশ উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিল এসি মিলান। এ সময় রাফায়েল লিয়ও এবং অ্যালেক্সিস সাইলেমাইকারদের আক্রমণ বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে রুখে দেন ইন্টার মিলানের গোল রক্ষক সামির হ্যান্ডানোভিচ। বিরতিতে যাবার ৫ মিনিট আগে দুইটি আকিষ্মক আক্রমণ রচনার মাধ্যমে ম্যাচের সমতায় ফেরার পথ অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছিল তারা। এ সময় ইভান পেরিসিচ লাইন থেকে বুকের সাহায্যে বল আটকে দেন। পরে লিয়ও’র প্রচেস্টা পায়ের সাহায্যে প্রতিহত করেন হ্যান্ডানোভিচ।

তবে শ্রোতের বিপরীতে ফের গোল করে দ্বিগুন ব্যবধানে পৌঁছে যায় ইন্টার। ম্যাচের ৪০ মিনিটে জোয়াকুইন কোরেয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলা মার্টিনেজের কাছে বল পাঠালে সেটি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে উঠে আসা এসি মিলানের গোল রক্ষক মাইক ম্যাগনানের মাথার উপর দিয়ে বেশ ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে আরো উজ্জীতি খেলা শুরু করে এসি মিলান। তবে ব্রাহিম দিয়াজ, অলিভার গিরুদ ও পিয়েরে কালুলুর রক্ষনের চিড় ধরাতে ব্যর্থ হয়। বরং ম্যাচের ৮২ মিনিটে একটি প্রতি আক্রমনে মার্সেলো ব্রজোভিচের ক্রসের বল জালে জড়িয়ে দেন বদলি খেলোয়াড় রবিন গোসেন্স। এতেই ৩-০ গোলের সহজ জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মিলানের। ফলে দুই লেগে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালে উঠে গেছে ক্লাবটি।