এলেঙ্গার গোলে হার এড়াল ম্যানইউ

2

ম্যাচের সাত মিনিটের মাথায় জাও ফেলিক্সের গোলে লিড নিয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রাখতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে এসে ৮০ মিনিটের মাথায় অ্যান্থনি এলেঙ্গার গোলে সমতায় ফেরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আর এতেই অ্যাটলেটিকোর ঘরের মাঠ ওয়ানডা মেট্রোপলিটিয়ানোতে ১-১ গোলে ড্র করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ১৬’র লড়াইয়ে প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথ্য দেয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ফিরতি লেগে আগামী ১৬ মার্চ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে আতিথ্য নেবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। অ্যাটলেটিকোর মাঠে বল দখলের লড়াইয়ে বেশ এগিয়ে ছিল ইউনাইটেড। তবে গোলের সুযোগ তৈরি আর শট নেওয়ার দিক দিয়ে বেশ পিছিয়ে ছিল রেড ডেভিলরা। গোটা ম্যাচের ৬৩ শতাংশ বল দখলে রাখা ইউনাইটেড মাত্র ৭টি শট নিতে পেরেছে যার মধ্যে দুটি ছিল লক্ষ্য বরাবর। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মোট ১৩টি শট নেয়। অ্যাটলেটিকোর ৮টি কর্নারের বিপরীতে ইউনাইটেড পায় মাত্র তিনটি কর্নার। ম্যাচের সাত মিনিটের মাথায় রেনান লোদিকে আটকাতে একটু বেশিই সময় নিয়ে ফেলে ইউনাইটেডের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। এতেই জায়গা পেয়ে জাও ফেলিক্সের জন্য দারুণ এক বল বানিয়ে দেন লোদি। হ্যারি ম্যাগুয়েরের সামনে দিয়ে বল এগিয়ে গিয়ে হেড করে বল জালে জড়ান পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ফেলিক্স। আর এতেই ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই ১-০ গোলের লিড পায় অ্যাটলেটিকো।
প্রথমার্ধে লিড আরও বাড়তে পারতো। তবে লোদির দুর্দান্ত ক্রস থেকে বল পেয়ে ভারসাহো হেড করেন কিন্তু বল গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসলে লিড বাড়ানো হয়নি অ্যাটলেটিকোর। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও আক্রমণাত্মকই খেলতে শুরু করে অ্যাটলেটিকো। তবে গোলের ভালো কোন সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না স্বাগতিকরা। অন্যদিকে দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের মেলে ধরতে শুরু করে রেড ডেভিলরা। ৬২ মিনিটে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, মার্কাস রাশফোর্ডের সঙ্গে দারুণ বোঝপড়ায় বল দেওয়া নেওয়া করে জায়গা করে দারুণ এক শট নেন ভিক্টর লিন্ডেলফ। কিন্তু তার শট ব্লক করেন রেইনিল্ডো। ৬৪তম মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের সেট পিস থেকে বল ধরতে ডি-বক্সের দিকে ছোটেন জডান সানচো, বল পেয়ে ভলিতে শটও নেন তিনি। তবে তার শট রুখে দেন হেরেরা। এরপর ম্যাচের ৭৫ মিনিটের মাথায় মার্কাস রাশফোর্ডের বদলি হিসেবে অ্যান্থনি এলেঙ্গাকে মাঠে নামান র্যাগ্নিক। মাঠে নামার মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান এই তরুণ ফরোয়ার্ড। মাঝমাঠে ফ্রেড বল পেয়ে পাঠিয়ে দেন ব্রুনোর কাছে। এরপর সুযোগ বুঝে ব্রুনো বল পাস করেন এলেঙ্গাকে। ডি-বক্সের ভেতর অবলাকের সঙ্গে ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে ঠান্ডা মাথায় শট করে বল কালে পাঠিয়ে উল্লাসে মাতেন এলেঙ্গা। ম্যাচের বাকি সময় আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অন্যদিকে শেষ ষোলর আরেক ম্যাচে বেনফিকার মাঠে দুইবার লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র করেছে আয়াক্স।