একই মাসে দুটি ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে ঐশী

8

বছরের শেষটা অবশেষে ঐশীর’ই হতে চলেছে। চলচ্চিত্রের এই মহামন্দার যেখানে অনেকের সারাবছরে একটিও ছবি মুক্তি পায়নি, সেখানে তার একই মাসে দুটি ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে। মিস ওয়ার্ল্ড খ্যাত জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীর প্রথম সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’। সিনেমাটি অবশ্য অনেক আগেই রিলিজ হবার কথা ছিল। কিন্তু করোনাসহ নানান প্রতিবন্ধকতায় ছবিটি মুক্তির তারিখ পিছিয়েছে বারবার। এ বিষয়ে ঐশী বলেন, অনেকেই অনেক কথা বলেছে। বারবার একই প্রশ্ন। তাই ভয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলিনি। তিনি আরও বলেন, অনেকেই জানতে চেয়েছে, আপনার ছবির রিলিজ কেনো পায় না? তাই খুব মন খারাপ হতো। এমনিতেই এটা আমার প্রথম ছবি, তার ওপরে এত বড় বাজেটের ছবি। তবে ধৈর্যের ফল যে মিষ্টি হয়, সেটিই প্রমাণিত হলো। আমার কাছে খুবই ভাল লাগছে এখন। তবে সামনে যে কঠিন পরীক্ষা তা বুঝতে পারছি। ঐশী দুটি ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, মিশন এক্সট্রিম এত বড় ক্যানভাস, আর এত বাজেটের ছবি।

এই ছবির প্রেশারটা ছিল অনেক। আমাকে শুভ ভাই প্রায়ই বলতো, তুই শুরুতেই এত বড় ছবির প্রেশার নিয়েছিস। তাই তোর অন্য ছবি করতে কোনো কষ্ট হবে না। আমি কোনো ছবিকেই খাটো করে দেখছিনা। আর মীর সাব্বির ভাইয়ের নির্মাণ ও সেটে তার এত আন্তরিকতা পেয়েছি যা সারাজীবন মনে থাকবে। একসঙ্গে দুটি ছবি মুক্তির ক্ষেত্রে ছবির প্রচারণায় কেমন কাজ করছেন জানতে চাইলে ঐশী বলেন, আমার তো মনে হচ্ছে বছরের শেষটা বিভিন্ন জায়গায় ছবির ক্যাম্পেইন করতেই চলে যাবে। সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছি। তবে দুটি দুই ধারার ছবি একই মাসে রিলিজ হওয়াতে দর্শকেরা আমার পরিশ্রম, অভিনয়ের ব্যাপারে একটা ধারণা পাবে। যদিও প্রথম ছবি। তাই এ নিয়ে তাদের একটা ক্ষমা-সুন্দর ভালবাসা পাবো বলে আমার বিশ্বাস। মিশন এক্সট্রিমের চিত্রনাট্য, নির্মাণভাবনা সানী সানোয়ারের। অন্যদিকে ডিসেম্বরের শেষে মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি হলো ‘রাত জাগা ফুল। এই ছবিটি নির্মাণ করেছেন মীর সাব্বির।