ইউক্রেইনের ন্যাটোর সদস্যপদ পেতে ২১ দেশের সমর্থন লাগবে

3

ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়েছেন ৯ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এক যৌথ বিবৃতিতে এবং কিয়েভের জন্য সামরিক সহায়তা জোরদার করতে ন্যাটোর প্রতিটি সদস্য দেশকে আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেয়ার জন্য জোটটির ৩০ সদস্যের মধ্যে ৯টি সদস্য রাষ্ট্র ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

গত রোববার চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, পোল্যান্ড, লিয়ায়ানষ্টিয়া, মন্টেনেগ্রো, রোমানিয়া এবং স্লোভাকিয়া ইউক্রেনের প্রতি তাদের সমর্থন ঘোষণা করে।ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ন্যাটো জোটে যোগ দেয়ার জন্য তার দেশের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিকল্পনা ঘোষণার দুদিন পরই ন্যাটোর এই সদস্য দেশগুলো সমর্থন জানিয়ে দিল। গত শুক্রবার হঠাৎ করেই দ্রুত ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনের পথে হাঁটার কথা জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

টেলিগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওতে জেলেনস্কি বলেন, আমরা এরইমধ্যে ন্যাটো জোটের মানদ- অনুযায়ী আমাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছি। আমরা এখন ন্যাটোতে যোগদান ত্বরান্বিত করতে ইউক্রেইনের পক্ষ থেকে আবেদন সইয়ের চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছি। তবে ইউক্রেইনের ন্যাটো সদস্যপদ পেতে হলে তাতে জোটের ৩০ দেশেরই অনুমোদন লাগবে। তাই দেশটির সদস্যপদ খুব শিগগিরই পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া, যুদ্ধে লিপ্ত থাকার কারণে ইউক্রেন ন্যাটো সদস্যপদের আবেদন নিয়ে জটিলতাও আছে। এদিকে, সামরিক জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে জেলেনস্কির বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে ন্যাটো মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, যেকোন সিদ্ধান্ত ঐকমত্যের ভিত্তিতে নিতে হবে। তিনি বলেন, ন্যাটো ওপেন ডোর পলিসি অনুসরণ করে।

এ মুহূর্তে ন্যাটোর কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ইউক্রেনকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করা। রাশিয়ার সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে এ মুহূর্তে এর দুটি হচ্ছে বড় জবাব। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের বুখারেস্ট সম্মেলনে ইউক্রেন এবং জর্জিয়াকে সদস্য হিসেবে যুক্ত করার বিষয়ে তাদের আকাক্সক্ষাকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। তবে এই দুটি দেশের যোগ দেয়ার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন সময়সীমা ঘোষণা করেনি ন্যাটো জোট। সূত্র: রয়টার্স