আরো একটি সম্মাননা পেলেন জয়া আহসান

6

দুই বাংলার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ অনেক সম্মাননা পেয়েছেন। এবার অন্যরকম পুরস্কার পেলেন তিনি। কারণ অভিনয়ের জন্য নয়, পশুপ্রেমের জন্য ‘প্রাণবিক বন্ধু’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন এই শিল্পী। শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে জয়ার হাতে তুলে দেয়া হয় এই পুরস্কার। প্রাণবিক তারকা বিভাগে এই সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। জয়া আহসানসহ মোট ১১ জনকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। তারা হলেন- প্রাণবিক প্রজন্মে মো. আবু বকর সিদ্দিক (পথপ্রাণী উদ্ধারকর্মী), পথে পথে প্রাণ রক্ষায় রাজশাহীর সুধা রানী এবং ঢাকার প্রেসী পুষ্পিতা সরকার। প্রাণবিক প্রাণী চিকিৎসক ডা. ফাতিহা ইমনুর ইমা, গণমাধ্যমে প্রাণবিকতায় প্রবীর কুমার সরকার, ভেটেরিনারি শিক্ষা ও চিকিৎসায় প্রফেসর নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ, জনস্বাস্থ্য ও পথপ্রাণী রক্ষায় বেনজির আহমেদ, প্রাণবিক বন সংরক্ষক মোল্যা রেজাউল, প্রাণবিক নগর পিতা আতিকুল ইসলাম এবং বিশেষ মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয় রেশাদ কামালকে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, চিত্রশিল্পী কনক চাঁপা চাকমা, শিল্প সমালোচক মইনুদ্দিন খালেদ। পশুদের নিয়ে কাজ করে দ্য পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার (পাও)। প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার প্রদান করলো সংগঠনটি। গত ৪ অক্টোবর পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। করোনা সংকটের কারণে কিছুটা বিলম্বে সম্মাননা স্মরক প্রদান করা হলো। প্রথমবারের মতো ভিন্ন এই পুরস্কার পেলেও জয়া আহসান অভিনেত্রী হিসেবে দেশ-বিদেশের অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন। তারমধ্যে অভিনয়ের জন্য তিনি চারবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাচসাস পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়াও ‘এনেছি সূর্যের হাসি’ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের পর জয়া জাতিসংঘের নারী ও শিশু সহায়তা বিভাগের শুভেচ্ছা দূত হন। ২০১৬ সালে তিনি চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ‘ইন্সপায়ারিং ওমেন অ্যাওয়ার্ড’লাভ করেন।