“আমার ক্যারিয়ারের জন্য রায়হান রাফী টার্নিং পয়েন্ট”

14

ঈদে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়ে দাপট দেখাচ্ছে রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমা ‘পরাণ’। যা রীতিমত আলোড়ন তুলেছে ঢাকাই সিনে ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। এমন সফলতা চুটিয়ে ভোগ করলেও নির্মাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করলেন না মিম। সোমবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে ‘পরাণ’ এর নির্মাতা রায়হান রাফীকে নিয়ে জানিয়েছেন নিজের মুগ্ধতার কথা! মিমের দাবি, রাফী তার কাছে একজন ‘ম্যাজিশিয়ান’! রাফীকে নিয়ে মিম তার স্ট্যাটাসে আরও লিখেন, ‘রাফীর সাথে সিনেমা শুরুর আগে আমি তাকে সেভাবে চিনতাম না। তার পরিচালিত সিনেমা দেখেছিলাম তবে তার সাথে ব্যক্তিগতভাবে সেভাবে পরিচয় ছিল না।

‘আমি অনেক বিশাল একজন ডিরেক্টর’- এরকম কোনো ভাব রাফীর মাঝে নেই। শুটিং সেটে সে খুব ফান মুডেই থাকে।’ ‘দহন’ নির্মাতার প্রশংসা করে মিম বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত যতজন ডিরেক্টরের সাথে কাজ করেছি, তাদের মাঝে হুমায়ূন আহমেদের পর রায়হান রাফী এমন একজন ডিরেক্টর, যে কিনা একটি সেলেব্রিটি ইমেজ ক্যারি করে। মানুষ রাফীর সাথে ছবি তুলতে চায়, রাফীর নামেই তাকে চেনে সাধারণ মানুষ। এটা বিশাল একটা ব্যাপার মনে হয় আমার কাছে। কাজের মাধ্যমে এই পরিচয় সে পেয়েছে আর আমার কাছে মনে হয় এটা তার জন্যও অনেক বড় একটা পাওয়া। হিরো হিরোইনের পাশাপাশি ডিরেক্টরের এই ধরনের ইমেজ পাওয়াটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য আশাব্যঞ্জক ব্যাপার।’

আর্টিস্ট এর কাছ থেকে রাফীর কাজ আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন মিম। জানান, ‘পরাণ সিনেমাতে আমার কিছুকিছু সিকুয়েন্স, যেমন আহ্লাদীপনা- সেগুলো সাধারণ মানুষ অনেক পছন্দ করেছে। এগুলো আসলে রাফীর এক্টিং করে দেখিয়ে দেয়া। রাফী এটা দেখিয়ে না দিলে অনন্যাকে এভাবে পর্দায় হাজির করা আমার জন্য কঠিন হত। শুধু আমার ক্ষেত্রে না, রাজ আর ইয়াশের ক্যারেক্টারকে পর্দায় কীভাবে দেখতে চাচ্ছে রাফী, সেই ব্যাপারেও তাদের সাথে বিস্তর আলোচনা হত। একজন আর্টিস্টকে খুব সুন্দরভাবে গাইড করতে পারে রাফী।’ ‘আমার মতে রাফীর সবচেয়ে বড় গুণ- সে জানে কীভাবে গল্পটা বলতে হবে।

একটা সাধারণ গল্প শুধুমাত্র গল্পবলার ধরনেই অন্যরকম হয়ে যেতে পারে, এর চমৎকার একটি উদাহরণ রায়হান রাফী।’- এমন প্রশংসায় মিমের মুখে। ক্যারিয়ারের জন্য রাফীকে টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন জানিয়ে মিম আরও বলেন, ‘রায়হান রাফীর সাথে আমার আরও দুটো সিনেমা করা হয়েছে। ‘দামাল’ নামের সিনেমাটা অলরেডি কমপ্লিট। আর ‘ইত্তেফাক’ এর অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। নিঃসন্দেহে রায়হান রাফী আমার ক্যারিয়ারের জন্য একটা টার্নিং পয়েন্ট এবং অবশ্যই একজন লাকি চার্ম!’