আমবনের মধ্যে হৃথিবী রথ’র ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিক বনভজন’

31

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন হৃথিবী রথের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার দিনব্যাপী সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামের মধুমঞ্জুরি আম্রকানন ছিল নানা কর্মসূচিতে মুখরিত।
আয়োজনের মধ্যে ছিল কবিতা আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও আলোচনা। হৃথিবী রথের এ আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছাড়াও রাজশাহী ও পাবনা থেকে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যোগ দেন।
জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন। স্বাগত বক্তব্য দেন হৃথিবী রথের আহ্বায়ক কবি আনিফ রুবেদ।
কবিতা আবৃত্তি করেন প্রবীণ সাংবাদিক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ লেখক পরিষদের সভাপতি সামসুল ইসলাম টুকু, গম্ভীরা খ্যাত নানা মাহবুব আলম, কবি মুর্শিদা আখতার মিলি, তারেক মাহমুদ, এস কে হেলাল, কবীর বাদশা, সুমিত শিখর, কিশোর কুমার, পান্ডব মনোদেহীসহ আরো অনেকে। গান পরিবেশন করেন- নিয়াজ কমল, কাউসার রিপন, জাকির হোসেন। বাউল গান পরিবেশন করে চাঁপাই বাউল ভক্তকুল।
কবিতা বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেনÑ প্রশাসনিক কর্মকর্তা কবি কামরুল বাহার আরিফ, পাবনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমন শামস, সমতোষ রায়, আসিফ মুক্ত ও হাবিবুল ইসলাম তোতা।
আয়োজনের এক ফাঁকে কবি সুজান সাম্পানের ‘ভূমিহীন কৃষকের গান’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এছাড়া বাইরে থেকে আসা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সংগঠনের সদস্যরা।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেনÑ কবি ইহান অরভিন, আশরাফুল ইসলাম, সুজান সাম্পান ও তমাল দীপ্তক।
হৃথিবী রথের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনব্যাপী আয়োজনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ লেখক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লেখক ও গবেষক জাহাঙ্গীর সেলিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম তাহমিদুর রহমান, জেলা কালচারাল অফিসার ফারুকুর রহমান ফয়সল, বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম ফারুক মিথুন, নামোশংকরবাটী কলেজের প্রভাষক কামাল সালেহীন, দৈনিক গৌড় বাংলার বার্তা সম্পাদক সাজিদ তৌহিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ড. ইমদাদুল হক মামুন, কবি ও কথাকার মঈন শেখ, পলশা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তাক হোসেনসহ আরো অনেকে।
স্বাগত বক্তব্যে হৃথিবী রথের আহ্বায়ক আনিফ রুবেদ বলেন, হৃথিবী কাজ করে খুব ধীরে। তবে আমাদের ধারণা, এই ধীরগতি যে ছাপ ফেলে তা হবে অনেক গভীর এবং কার্যকর। আমরা এ পর্যন্ত ১৫০টির বেশি পাঠচক্র, সংগীত ও সাহিত্যচক্র করেছি। এগুলোর সাথে আমরা যারা যুক্ত হতে পেরেছি তারা কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ হতে পেরেছি বলেই মনে করি।