অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন স্কট মরিসন

4

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন আগামী ২১ মে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানী ক্যানবেরায় গভর্নর জেনারেলের সঙ্গে এক বৈঠকের পর গতকাল রোববার তিনি এই ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির। তিনি বলেন, ‘আপনারা মজবুত ভবিষ্যৎ নাকি অনিশ্চয়তা কোনটা বেছে নেবেন, সিদ্ধান্ত আপনাদের। আপনাদের চেনা সরকার আর বিরোধী লেবার পার্টি যাদের আপনারা চিনেন না, কাদের বেছে নেবেন সে সিদ্ধান্ত আপনাদের।’ দেশটির পার্লামেন্টে ৭৬টি আসনে প্রতিনিধিত্ব করছে মরিসন নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি। ক্ষমতা ধরে রাখতে সমসংখ্যক আসনে জয় পেতে হবে তাদের। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরই সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এবারের নির্বাচনে অ্যান্থনি আলবানিজের দল লেবার পার্টি ছেড়ে কথা বলবে না। ২০১৯ সালে নির্বাচনে বুথফেরত নানা জরিপের ফলাফলে বিশ্লেষকরা লেবার পার্টির জয় দেখলেও শেষতক স্কট মরিসনের লিবারেল পার্টিই নির্বাচনে জেতে। অ্যান্থনি আলবানিজ স্কট মরিসনের পাল্টা জবাবে বলেছেন, ‘তারা বড় বেশি দেরি করে ফেলেছে। তারা কী করতে যাচ্ছে সেটা বলতেই তো তিন বছর সময় নিলো।’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন হাওয়ার্ডের স্কট মরিসনই প্রধানমন্ত্রীত্বের পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করতে পেরেছেন। জন হাওয়ার্ড টানা চারটি নির্বাচনে জয়ের পর ২০০৭ সালে লেবার পার্টি কেভিন রাডের কাছে হেরে যান। এরপর নানা অভিযোগে পার্লামেন্টে তুমুল বিতর্কের পর অজি প্রধানমন্ত্রীরা মেয়াদ ফুরানোর আগেই গদি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। স্কট মরিসনের জয়ের পাল্লা ভারী হলেও সাম্প্রতিক সময়ে পার্লামেন্টে ‘ধর্ষণকা-ে’ তার মন্ত্রিসভার দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এতে কিছুটা টালমাটাল অবস্থায় পড়ছে লিবারেল পার্টি। লেবার পার্টির নেতা আলবানিজও লিবারেল পার্টিকে ‘ফেভারিট’ হিসেবে বলছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মাত্র তিনবার ক্ষমতায় আসতে পেরেছে লেবার পার্টি।